জনগণের ভোটাধিকার ডাকাতি হয়েছে: মঞ্জু

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার ডাকাতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ধানের শীষ প্রতীকে মেয়র পদে নির্বাচন করা বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসে এ অভিযোগ করেন তিনি।

নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাতির’ অভিযোগ এনে একশরও বেশি কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল করে নতুন করে ভোট নেয়ার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খুলনায় দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই দাবি করেন ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

মঞ্জু বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যে ফলাফল আসছে এটা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না। খু্লনাবাসী ভোট প্রয়োগ করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই সুযোগ ধুলিস্যাৎ হয়ে গেছে আওয়ামী লীগের ভোট ডাকাতির কাছে।’ সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত নগরীর ২৮৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয়। দিনভর বিভিন্ন কেন্দ্রে জালভোটসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এসেছে গণমাধ্যমে।

দখল ও জাল ভোট দেয়ার কারণে তিনটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত রেখেছে নির্বাচন কমিশন। দিনভর কেন্দ্র দখল ও জাল ভোট দেয়ার অভিযোগ এলেও নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা আলমগীর বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। তিনি বলেছেন, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে হলে সংসদ ভেঙে দিতে হবে, সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। নইলে সুষ্ঠু ভোট সম্ভব নয়। আজ খুলনায় সেনা মোতায়েন থাকলে ফলাফল যাই হোক ভোট ব্যবস্থা এমন হতো না। বিরোধী দল সুন্দরভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারত।

এর আগে তৃতীয় দফায় অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী আহমেদ বলেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২৯৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে সবকটিতেই ক্ষমতাসীন দলের সশস্ত্র ক্যাডাররা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যক্ষমদদে নির্বাচনের ফলাফলকে নিজেদের পক্ষে নেয়ার জন্য সকল অপচেষ্টা চালিয়েছে। ১৫০ টির বেশি ভোট কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে সশস্ত্র আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।

পাঁচজন মেয়র প্রার্থী ছাড়াও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৮ জন এবং সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে ১৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open