নগরীতে ছিনতাইকারীর কবলে ডাক্তার……..

নিজস্ব প্রতিবেদক :: দেখে বুঝার উপায় নেই তারা অপরাধের সাথে জড়িত। একজনের পরনে নীল রঙের শার্ট, আরেকজনের সাদা রঙের টি-শার্ট। মোটরসাইকেলযোগে এসে তারা থামলেন নয়াসড়ক এলাকায়। টি-শার্ট পরিহিত ব্যক্তির মাথায় হেলমেট। দুজনই যুবক বয়সী। রিকশা থেকে নামা ডা. তাহমিনা মালিক শিমুকে একযোগে অনুসরণ করলেন দুজন। একটি প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করেন শিমু। কিছুক্ষণ পর অনুসরণকারী নীল রঙের শার্ট পরিহিত যুবক ফিরে এসে মোটরসাইকেল স্টার্ট দেন। এর কয়েক মিনিট পরই টি-শার্ট পরিহিত যুবক হাতে একটি ব্যাগ নিয়ে দৌড়ে এসে মোটরসাইকেলে ওঠেন। মুহুর্তেই হাওয়া হয়ে যায় মোটরসাইকেল।

এই ঘটনা ঘটেছে গত রবিবার, সন্ধ্যা ৬টা ১১ মিনিট থেকে ৬টা ২৩ মিনিটের মধ্যে। ওই দুই যুবক হলেন ছিনতাইকারী, তাদের শিকার হয়েছেন ডা. তাহমিনা মালিক শিমু। এই পুরো ঘটনা ধরা পড়েছে নয়াসড়কস্থ একটি প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরায়।

সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার মেয়ে ডা. তাহমিনা মালিক শিমু। সিলেট নগরীর লামাবাজারে তাঁর বাসা। ব্যক্তিগত কাজে রিকশাযোগে গিয়েছিলেন নয়াসড়কে। সেখানেই ছিনতাইয়ের শিকার হন তিনি।

ডা. শিমু জানিয়েছেন, ছিনতাইকারীরা তার যে ব্যাগ ছিনতাই করেছিল, সেটির মধ্যে নগদ প্রায় ১৭ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল ফোন, ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং চাবি ছিল। রবিবার রাতে নগরীর হাওয়াপাড়া এলাকার এক ব্যক্তি তার ব্যাগটি রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে পৌঁছে দিয়েছেন। ব্যাগে টাকা এবং ফোন দুটি ছাড়া বাকি সব ছিল।

ছিনতাইয়ের ঘটনায় নগরীর কোতোয়ালী থানায় জিডি করেছেন ডা. শিমু।

এব্যাপারে কোতোয়ালী থানার ওসি তদন্ত রোকেয়া বেগম বলছেন, সিসি টিভির ফুটেজ বিশ্লেষন করে ছিনতাইকারীদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছেন তারা ,এর মধ্যে একজন নগরীর চিন্হিত ছিনতাইকারী সোলেমান জালালাবাদী,আর অপরজন চিন্থিত মাদক ব্যাবসায়ী ও ছিনতাইকারী সোলেমানের সহযোগী মিজান। মিজান কয়েকমাস আগে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিলসহ জকিগঞ্জ থেকে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। দুই মাস কারাভোগের পর সে জামিনে বেরিয়ে আসে। পুলিশ ছিনতাইকারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open