তাদের চাকুরিই হলো পর্নোগ্রাফি দেখা…….!

সুরমা টাইমস ডেস্ক:: ফেসবুকের প্রধান কার্যালয়ে চাকরি করেন সারাহ কাটজ। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন আধেয় নিয়ে যে অভিযোগ করেন সেটা বিচার-বিবেচনার দায়িত্ব পালন করতেন তিনি।

তিনি বিবিসিকে জানিয়েছেন, ইন্টারনেটে পাওয়া যায় এমন সব ধরনের কদর্যতম জিনিস তাকে এই চাকরিতে রোজ দেখতে হতো; যার বেশির ভাগই পর্নোগ্রাফি।

অবশ্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা তাদের মডারেটরদের মনস্তাত্ত্বিক সাহায্য দিতে সার্বক্ষণিক ব্যবস্থা রেখেছে।

তিনি আরো বলেন, আমাকে রোজ কাঁদতে হতো। ফেসবুকে বোধহয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ এটা। আর সবচেয়ে খারাপও, কিন্তু কারও যেন সেটা নিয়ে মাথাব্যথা নেই।

তিনি আরো বলেন, ‘রোজ অসম্ভব সব খারাপ ও যন্ত্রণাদায়ক জিনিস দেখতে হতো; মাথা কেটে ফেলা, চাইল্ড পর্নোগ্রাফি, পশুদের ওপর নির্যাতন এসব। একটা যেন যন্ত্রের মতো হয়ে গিয়েছিলাম, ওগুলো দেখে আঙুলের একটা ক্লিকে ঠিক করতে হতো জিনিসটা থাকবে কি থাকবে ন

ফেসবুক প্রোডাক্ট পলিসির প্রধান মনিকা বিকার্ট জানান, কাজটা কঠিন কোনো সন্দেহ নেই। তবে আমি বলব রিভিউয়াররা যে ধরনের জিনিসপত্র দেখেন, এই ধরনের গ্রাফিক কনটেন্ট তার খুবই সামান্য একটা অংশ। আর ক্রমশ আমরা প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছি, যাতে কেউ ফেসবুকে এই ধরনের জিনিস আপলোড করলে তা যাতে নিজে থেকেই রিভিউ করে সরিয়ে দেওয়া যায়।’

Sharing is caring!

Loading...
Open