সিলেটে ছাত্রলীগের ইমরানসহ ৬জনের ৫বছরের সশ্রম কারাদন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক::      সিলেটে দ্রুত বিচার আইনের মামলায় আদালত ৬জনকে ৫বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন। এছাড়াও দন্ডপ্রাপ্তদেরকে ১০হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদন্ড দেন আদালত। মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় মামলার এজহার নামীয় আসামি নগরের জালালাবাদ থানার হালদারপাড়ার ফরমুজ আলীর ছেলে সোহেল হাসান (২৮) ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের জগদীশপুর গ্রামের মৃত নাজির উদ্দিনের ছেলে হানিফ আহমদ (৩৭) আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও এ মামলায় পলাতক থাকা অপর ৪জন আসামী হচ্ছে- জালালাবাদ থানার আখালিয়া নোয়াপাড়া ডি ব্লকের বন্ধন-১৫ নং বাসার আফতাব আলীর ছেলে ইমরান আহমদ এমরান (৩৬), পাঠানটুলা আ/এ বন্ধন ১৫ নং বাসার মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে ফরহাদ হোসেন কবীর (৩৬),কালিবাড়ির বন্ধন বন্ধন-ডি/১৫ বাসার রইছ আলীর ছেলে সেবুল আহমদ (৩৬), জালালাবাদ থানার পনিটুলা এলাকার আব্দুল জলিল শাহজাহান (৩৬) পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ইমরান সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাবেক উপ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। আদালতে মামলার বিচার শুরু হওয়ার পর থেকেই লাপাত্তা হয়ে যান ইমরান। তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের বেঞ্চ সহকারী আইয়ুব আলী জানান, দ্রুত বিচার আইনের মামলায় আদালত ৬জনকে ৫বছরের সশ্রম কারদন্ড এবং ১০হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও একমাসের জেল প্রদান করেন। তিনি জানান-রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় দুজন আসামী উপস্থিত ছিলেন। পলাতক ৪জনের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
আদালত সূত্র জানায়,চাঁদা দাবি,ভয়ভীতি, ত্রাস ও হত্যার হুমকির অভিযোগ এনে মদিনা মার্কেট নিবাস বি/২৭ নং বাসার হাজী আলতাব আলীর ছেলে রঙ্গুল বেগম বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে কোতোয়ালি থানায় ৭জনকে আসামী করে মামলা নং-২৫ দায়ের করেন গত বছরের ২৪ এপ্রিল। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই ইবাদুল্লাহ তদন্ত শেষে আদালতে দাখিলকৃত অভিযোগপত্র নং ১১৬ দাখিল করেন ওই বছরের ৪মে।
আদালতে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রে বনকলাপাড়ার আতিক নামের এক যুবককে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এরপর সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন আদালত ওই বছরের ১৫ মে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। শুনানী শেষে আদালতের বিচারক গতকাল ৬জনকে ৫বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন। এছাড়াও ১০হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১মাসের কারাদন্ড দেন আদালত।

Sharing is caring!

Loading...
Open