নগরীতে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষন : গ্রেফতার ১, ধর্ষিতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক::

নগরীর লাক্কাতুরা চা বাগান এলাকার বাসিন্দা একজন চা শ্রমিকের কন্যা স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১ এপ্রিল বিমানবন্দর থানা পুলিশ ধর্ষক আমির আলীকে বেলা ২টায় গ্রেফতার করে এবং ধর্ষিতা কিশোরী লাক্কাতুরা চা বাগানের কুশো দাসের মেয়েল।
গ্রেফতারকৃত আমির আলী এয়ারপোর্ট থানার নুবানী ৬৫নং গলির হাজীপাড়া কমিশনার দিঘীর বাসিন্দা বলে জানা গেছে। ধর্ষিতার পিতা চা শ্রমিকের দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা যায়, তার ৭ম শ্রেণি পড়–য়া ১৪ বছরের মেয়ে প্রতিদিনের ন্যায় ২০১৭ সালের ১৩ নভেম্বর পার্শ্ববর্তী স্কুলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। স্কুলে পৌছার আগেই উক্ত আমির আলী তার দুজন সহযোগী নিয়ে কিশোরীকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। চলিত বছরের ১ এপ্রিল কিশোরীর বাবা সংবাদ পান যে আমির আলী তার মেয়েকে তার বাড়িতেই আটকে রেখে ধর্ষন করে যাচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে ২ এপ্রিল তিনি বিমানবন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৯(১৩০)। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ আমির আলীকে গ্রেফতার করে এবং ধর্ষিতা কিশোরীকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করে। এদিকে মামলা দায়েরের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে লম্পট আমির আলী তার সহযোগীদের নিয়ে কিশোরীর বসতবাড়িতে অগ্নি সংযোগ করে। রোববার রাতে বাসার লোকজনকে হত্যার উদ্দেশ্যে ঘরের দরজা বাহিরে থেকে তালাবদ্ধ করে অগ্নিসংযোগ করে। এতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে বাসার লোকজন বেচে গেলেও ঘরের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তাছাড়া ভিকটিমের পরিবার সূত্র জানান একটি প্রভাবশালী মহলের অপতৎপরতায় অপহরণ ও ধর্ষন মামলাটির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। এতে করে ধর্ষিতার পরিবার মেয়ের ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে। তারা এ ব্যাপারে মানবাধিকার সংগঠনগুলো সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের সাহায্য ও সহযোগীতা কামনা করেছেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open