“প্রেমিক যুগল আটক, গোয়াইনঘাটে থানায় মামলা দায়ের”

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোয়াইনঘাট ::     সিলেটর গোয়াইনঘাটে প্রেমের টানে ঘর ছাড়লেন স্কুল পড়ুয়া ১০ম শ্রেনির ছাত্রী সুমাইয়া ফাইরোজ আনিসা(১৬)। উপজেলার ৩নং পূর্বজাফলং ইউনিয়নের ভাউরভাগ গ্রামের ব্যবসায়ী।

জানা যায়, মোহাম্মদ আলীর কন্যা সুমাইয়া ফাইরোজ আনিসা স্থানীয় জননী শিক্ষা একাডেমি থেকে প্রাথমিক শিক্ষার ইতি টেনে মাধ্যমিক শিক্ষা আহরনের লক্ষ্যে উদ্দেশ্য নিয়ে ডাক্তার ইদ্রিস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। মাধ্যমিকে শিক্ষার্জন এর সুবাদে পরিচয় হয় একই ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের জামাল উদ্দিন’র পুত্র আজহারুল ইসলাম জুবায়ের(২২)’র সাথে। প্রতিদিন স্কুলে আসা যাওয়ার সুবাদে ধীরে ধীরে আনিসা এবং জুবায়ের এর মধ্যে গড়ে উঠে প্রেমের সম্পর্ক। দীর্ঘ সাড়ে ৩বছর থেকে তাদের এ সম্পর্ক’র অবসান ঘটিয়ে ২রা মার্চ সকালে কোচিং এর নাম করে বাড়ি থেকে পালিয়ে সিলেটের জকিগঞ্জে এক আত্বীয়ের বাসায় উঠেন এই প্রেমিক যুগল। সেখানে ২দিন অবস্থান শেষে ৩রা মার্চ কুমিল্লা জর্জ কোর্টে এফিডেভিড এর মাধ্যমে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন।

থানা হাজতে প্রেমিক যুগল আটকের খবর পেয়ে সেখানে গেলে। গনমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতে উপরোক্ত কথাগুলি বলছিলেন ভাউরভাগ গ্রামের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলীর স্কুল পড়ুয়া কন্যা সুমাইয়া ফাইরোজ আনিসা।

এদিকে ভাউরভাগ গ্রামের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী স্কুল থেকে কন্যা সুমাইয়া ফাইরোজ আনিসা বাড়িতে ফিরে না আসায় গোয়াইনঘাট থানায় একটি অপহরন মামলা দায়ের করেন যার নং=৩/১৮। মামলা দায়ের এর পর থানা পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৬মার্চ  ভোর রাত সাড়ে ৩টায় জাফলং বাস ষ্টেসন থেকে তাদেরকে আটক করতে সক্ষম হয়।

এবিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত) হিল্লোল রায় প্রেমিক যুগল আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রতিবেদকে জানান, স্কুল থেকে কন্যা সুমাইয়া ফাইরোজ আনিসা বাড়িতে ফিরে না আসায় তার পিতা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী গোয়াইনঘাট থানায় একটি অপহরন মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাৎক্ষনিক অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করেছে এবং আজ শুক্রবার তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open