নগরীতে জোড়া খুন, ‘রহস্যজনক’ নাম্বারের খোঁজে পুলিশ……..

নিজস্ব প্রতিবেদক::      সিলেট নগরীর মীরাবাজারস্থ খারপাড়া এলাকায় মা-ছেলেকে হত্যায় পুলিশি তদন্ত ‘রহস্যজনক’ একাধিক মোবাইল নাম্বারকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের ১৫ থেকে ২০ দিন আগে থেকে একাধিক মোবাইল নাম্বারে কে বা কারা নিহত রোকেয়া বেগমের সাথে কথা বলেছেন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এদিকে, আলোচিত জোড়া খুনের ঘটনায় নিহতের ভাই জাকির হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি গৌছুল হোসেন।

সূত্র জানায়, নিহত রোকেয়া বেগমের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম রোকনের একটি মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড পরীক্ষা করা হচ্ছে। এখানে কয়েকটি সন্দেহজনক নাম্বার মনিটরিং করা হচ্ছে।

এছাড়া তদন্ত সংশ্লিষ্টরা একাধিক বিষয়কে সামনে রেখে প্রতিবেশি, আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছেন। পাশাপাশি নিহত রোকেয়ার ব্যবহৃত বিনা খান ও লাবণী নামের ফেসবুক আইডিও খু্ঁজে দেখা হচ্ছে।

কোতোয়ালি থানার ওসি গৌছুল হোসেন বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে পুলিশ সব তথ্য গণমাধ্যমে দিচ্ছে না। কিছু কিছু গণমাধ্যমের অতি উৎসাহী হয়ে উঠায় ও সন্দেহভাজনদের নাম অনলাইনে প্রকাশ করায় তাদের ধরতে পারেনি পুলিশ। পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত রোববার সকালে সিলেট নগরীর মিরাবাজার খারপাড়া ১৫/জে নং বাসার নিচতলা থেকে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের হেলাল মিয়ার স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৪০) ও ছেলে রবিউল ইসলাম রোকনের (১৬) গলা কাটা লাশ তাদের নিজ নিজ ঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় বাসা থেকে নিহত রোকেয়া বেগমের রাইসা নামে সাড়ে ৩ বছরের শিশুকন্যাকে উদ্ধার করা হয়। তার গলায়ও দাগ রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, গত শুক্রবার রাতে তাদের হত্যা করা হয়েছে। এ কারণে লাশে পচন ধরে ও দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

নিহত রোকেয়ার মেয়ে বর্তমানে কোতোয়ালি থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে আছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open