দিনারপুরে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের, নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার……..

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দিনারপুর পরগণার গজনাপুর ইউনিয়নের কান্দিগাঁও গ্রামে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ুয়া মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে । গত(১৩ই মার্চ) মঙ্গলবার হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার রোকশানা আক্তার । গত ১৫-০৩-২০১৮ ইং তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এর বিচারক আমজাদ হোসের মামলাটি এজাহার ভুক্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রতান করেন ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত(৬ইমার্চ) মঙ্গলবার দুপুরে রোকশানা আক্তার বাড়ির নিকটর্তী পুকুরে মাছ ধরা দেখতে যাওয়ার পথিমধ্যে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তার বসত বাড়িতে নেওয়ার চেষ্টা করেন কান্দিগাঁও গ্রামের মৃত আছলম উল্লাহ’র পুত্র মুজিবুর রহমান(৫৫) । রোকশানা প্রলোভনে রাজী না হওয়ায় আসামী রোকশানার উপর উত্তেজিত ও আক্রোশান্বিত হয়ে উঠে । আক্রোষের জের ধরে, মাছ ধরা দেখা শেষে রোকশানা বাড়ি ফেরার পথে পুকুর পাড়ে একটি নির্জনস্থানে পৌছাঁ মাত্রই মুজিবুর রোকশানাকে জোরপূর্বক ধরে পাজাখোলা করে নির্জনস্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় সে চিৎকার চেচামেচী করলে রোকশানার মুখ চেপে ধরে মুজিবুর তখন রোকশানার দুইগালে কামড়াইয়া রক্তাক্ত জখম করে। সেসময় নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে রোকশানার জামা কাপড় ছিড়ে ফেলে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে । সেসময় রোকশানার চিৎকার শুনে তার ফুফু তাকমিনা বেগম এগিয়ে আসলে মুজিবুর তখন গাছের ডাল দিয়ে তাকমিনা বেগমকে এলাপাতাড়ি ভাবে আঘাত করতে থাকে ।

পরে তাকমিনা বেগমের আত্মচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে মুজিবুর দৌড়ে পালিয়ে যায় । এঘটনার পর রোকশানাকে প্রথমে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন সেখানে ৪দিন চিকিৎসা গ্রহণ শেষে নিজ বাড়িতে চলে আসে। এদিকে মামলা দায়ের এর পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন বলে জানিয়েছেন রোকশানার পিতা ওয়াহিদ মিয়া । মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নবীগঞ্জ থানার এসআই ফিরোজ আহমেদ বলেন,মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে ।

Sharing is caring!

Loading...
Open