চুনারুঘাটে সুন্নী নেতা আকল মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা।। পৌরশহর থমথমে।। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি ॥ চুনারুঘাটে দুর্বৃত্তদের হামলায় সুন্নী জামাত চুনারুঘাট উপজেলা শাখার সভাপতি , ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ আবুল হোসেন ওরফে আকল মিয়া (৬০) নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ভোরে মসজিদে নামাজে যাওয়ার পথে একদল দুর্বৃত্ত তার উপর আক্রমন চালায় এবং এলোপাথারি কুপাতে থাকে। এতে তিনি মারাত্মক আহত হন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আকল মিয়ার মৃত্যুতে উপজেলার সুন্নী জামাত ও তাবলীগ জামাতের সমর্থকরা পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত খুনীদের আটক করার দাবী জানিয়েছেন। চুনারুঘাট পৌর শহরে অতিরিক্ত পুলিশ, র‌্যাব মোতায়ন করা হয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসিরা জানান, প্রতিদিনের ন্যায় সুন্নী জামাতের এই নেতা পৌর শহরের একটি মসজিদে নামাজ পড়তে যান। মসজিদে নামাজে যাওয়ার পথে একদল অস্ত্রধারী তার গতিরোধ করে এবং এলোপাথারি কুপাতে থাকে। এতে তিনি মারাত্মক আহত হন। তার শোর চিৎকারে অন্যান্য মুসল্লী এগিয়ে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে গেলে সকাল সাড়ে ৮টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সভাপতি আকল মিয়ার মৃত্যুর খরব ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শত শত লোক চুনারুঘাট পৌর শহরে জমা হতে থাকেন। সকাল ১০টায় সুন্নী জামাতের অনুসারীরা প্রথমে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি পৌর শহর প্রদক্ষিন শেষে মধ্য বাজারে এসে পথ সভায় মিলিত হয়। এ সভায় সুন্নী নেতা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়। এরপর তাবলীগ জামাত পৌর শহরে আরো একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আকল মিয়া হত্যার বিচার দাবী করেন। চুনারুঘাটে যে কোন অনাকাংখিত ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। কি কারনে গ্রাম্য ওই সু বিচারককে হত্যা করা হলো এ বিষয়ে পুলিশ বা স্থানীয় সুত্র গুলো কিছুই জানাতে পারেনি তবে জমি কেনা বেচা,গ্রাম্য বিচারের উনার কোন প্রতিপক্ষ সৃষ্টি হয়েছিলো কিনা বা ধর্মীয় কোন কারন আছে কিনা এ তিনটি বিষয়কে সামনে এনে তদন্তকাজ পরিচালনা করছে পুলিশ।

Sharing is caring!

Loading...
Open