‘আমি চাই, আবারও টি-টোয়েন্টি দলকে নেতৃত্ব দেবে মাশরাফি’


সুরমা টাইমস ডেস্ক ঃঃ গত বছর শ্রীলঙ্কা সফরে টি-টোয়েন্টি থেকে মাশরাফি বিন মুর্তজার হঠাৎ অবসর ঘোষণায় ক্রিকেট বিশ্বে যেমন আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল, এবার মাশরাফিকে ফেরানোর ব্যাপারে বিসিবি সভাপতির বক্তব্যও ছড়িয়ে গেছে সারা ক্রিকেট বিশ্বে। প্রশ্ন হলো, শ্রীলঙ্কার মাটিতে আরও একটি সফরে কি সত্যি সত্যিই অবসর ভেঙে ফিরবেন টাইগার ক্যাপ্টেন? এর উত্তর শুধু মাশরাফিই জানেন। তবে ভারতের সাবেক ক্রিকেটার তথা বর্তমানের জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জেরকরও চান ম্যাশ অবসর ভেঙে ফিরে আসুক।

ভারতের প্রথম সারির দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ায় এক কলামে মাশরাফিকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন সঞ্জয়। তিনি লিখেছেন, ‘আমি আশা করি, মাশরাফি বিন মর্তুজা আবারও বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বে ফিরে আসবে। সে একজন বিস্ময়কর ক্রিকেটার। অসাধারণ একজন নেতা। ভালো নেতৃত্ব সব সময়ই একটি উদীয়মান দলকে উজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে দারুণ ভুমিকা রাখে। বিশেষ করে সেই দলটি যখন বিশ্বের সেরা একটি দলে পরিণত হওয়ার স্বপ্ন দেখে।’

মাশরাফির অবসরের পর ক্রিকেটের ছোট ফরম্যাটে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে তার দ্বিতীয় মেয়াদের নেতৃত্বে কোনো সাফল্য পায়নি বাংলাদেশ। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার কাছে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভরাডুবি ঘটার কারণে আবারও মাশরাফিকে ফেরানোর দাবি উঠেছে। কদিন আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন মাশরাফির কাছে অবসর ভাঙ্গার প্রস্তাব দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। বাকীটুকু নির্ভর করছে পুরোপুরি মাশরাফির ওপর।

দীর্ঘ কলামে বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রশংসা করে সঞ্জয় আরও লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের উত্থান ক্রিকেটের জন্য সত্যিই ভালো খবর। দেশটিতে ক্রিকেট খুবই জনপ্রিয়। ভারতের চেয়েও বেশি। বাংলাদেশ এখন কেবল একটি মাত্র খেলার দেশ; সেটা হচ্ছে ক্রিকেট। তাদের ক্রিকেটাররা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় তারকা। ঢাকায় গেলে আপনি দেখতে পাবেন বিলবোর্ডে বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপনে ক্রিকেটাররাই মডেল হয়েছে।’

বিষয়টি ব্যখ্যা করে সঞ্জয় লিখেছেন, ‘দেশটির বিশাল অংশই দারিদ্র্য পিড়িত। এ কারণেই লক্ষ লক্ষ শিশু-কিশোল ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে বেছে নেয়ার স্বপ্ন দেখে। এটা শুধুমাত্র এই জন্য যে, একদিন তারা তারকাখ্যাতি লাভ করবে এবং অনেক অর্থ আয় করবে- এই আশায়। যেমনটা হয়েছে তাদের আইডল সাকিব এবং মুস্তাফিজ। এই আবেগ এবং ক্রিকেটের প্রতি এই ভালবাসাই দেশটির তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। ভালোমানের কোনো একাডেমি ছাড়াও প্রচুর ক্রিকেটার তৈরি হচ্ছে।’

Sharing is caring!

Loading...
Open