প্রশ্ন ফাঁস: হাই কোর্টের রুল


সুরমা টাইমস ডেস্ক :: চলতি এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ এ রুল দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মনিরুজ্জামান।

চলতি এসএসসি পরীক্ষা বাতিল করে নতুন প্রশ্নপত্র দিয়ে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া, প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় বিচারিক ও প্রশাসনিক তদন্ত কমিটি গঠন এবং প্রশ্ন ফাঁসের অপরাধ দমনে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদনটি করা হয়।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রশ্নফাঁসের বিভিন্ন প্রতিবেদন যুক্ত করে আদালতে বুধবার রিট আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আইনুন্নাহার সিদ্দিকা, সিকদার মাহমুদুর রাজি, মো. রাজু মিয়া ও নূর মোহাম্মদ আজমী।

আইনজীবী জ্যেতির্ময় বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেন, “আদালত প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আপাতত রুল দিয়েছে।”

বিচারিক ও প্রশাসনিক তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়ে আদালত আদেশ দিতে গেলে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, “প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি প্রশাসনিক কমিটি হয়েছে।

তখন আদালত জানতে চায়, কাদের নিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে বা কমিটি কাজ শুরু করেছে কি না?

রুলের জবাব দুই সপ্তাহের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, আইন সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের ড্রাফটিং উইংয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, তথ্য প্রযুক্তি সচিব, বিটিআরসি’র সচিব-চেয়ারম্যান, বিটিসিএল প্রধান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক-চেয়ারম্যান, ঢাকা-রাজশাহী, কুমিল্লা-যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল সিলেট, দিনাজপুর উচ্চ মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং পুলিশের মহাপরিদর্শককে।

রিট আবেদনকারী মাহমুদুর রাজি সাংবাদিকদের বলেন, “শুনানিতে আদালত বলেছে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রশ্নফাঁস যে মহামারী আকার ধারণ করেছে যে, এটা মাদকাশক্তির চেয়ে একটি বড় ব্যাপার। আজকে যারা এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষার্থী আছে পাঁচ-দশ বছর পরে তারাই বাংলাদেশকে লিড করবে। তাদের অবস্থা যদি এরকম হয়ে যায় তাহলে জাতি কলাপস করার সম্ভাবনা আছে।”

Sharing is caring!

Loading...
Open