বিশ্বনাথের ঘাতক স্বামীকে ধরিয়ে দিলে এক লক্ষ টাকা পুরস্কার

নিজস্ব প্রতিনিধি::       সিলেটের বিশ্বনাথে দুই সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যার ৯ দিনেও স্বামী হেলাল মিয়াকে (৪০) গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে অভিযুক্ত হেলাল মিয়াকে ধরিয়ে দিতে পারলে পুলিশের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা সমমূল্যের একটি আইফোন-৭ ও পরিবারের পক্ষ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (২রা ফ্রেবুয়ারি) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ও নিহত লুবনার (২৫) ছোট বোনের জামাই মামুন মিয়া পুরস্কার ঘোষণা করেন।

ঘাতক হেলাল মিয়া উপজেলার জানাইয়া উত্তর মুসলা গ্রামের মৃত জহুর আলীর ছেলে।

প্রসঙ্গত গত ২৫শে জানুযারি গ্রামের তার চাচাতো ভাই মৃত আকরম আলীর ছেলে নুর উদ্দিনের (৪৬) বাড়িতে তার স্ত্রী লুবনা বেগমকে (২৫) ডেকে নেয়। তখন লুবনার মাও সঙ্গে ছিলেন। এ সময় নুর উদ্দিনের স্ত্রীর সঙ্গে গল্প চলাকালে হেলাল উদ্দিন স্ত্রী লুবনা বেগমকে অন্য একটি ঘরে ডেকে নিয়ে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে গলা কেটে হত্যা করে। হত্যার পর ঘাতক হেলাল মিয়া পালিয়ে যায়।

গত ২৭শে জানুয়ারি নিহত লুবনার লাশের ময়নাতদন্ত শেষে বাবার বাড়ি উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামে দাফন করা হয়। ওই দিন রাতে তার বড় ভাই কামরুল হুদা বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। কিন্তু মামলা দায়েরের ছয় দিন ও খুনের ৯ দিন পার হলেও ঘাতক স্বামী হেলাল মিয়াকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বাদীপক্ষের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশার পাহাড়।

এ ব্যপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মিজানুর রহমান বলেন, হেলাল মিয়াকে গ্রেফতারের জন্য বেশ কয়েকবার অভিযান করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তাকে গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open