সঠিক রায় হলে খা‌লেদা জিয়া সসম্মা‌নে মু‌ক্তি পাবেন– আলাল

সুরমা টাইমস ডেস্ক::           বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, বিচারপতিরা যদি সঠিক রায় দেন, তাহলে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সসম্মানে মুক্তি পাবেন। আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ বলেন।

আলাল বলেন, গণগ্রেপ্তারের ম‌ধ্যে সমস্যার সমাধান হ‌বে না এবং এই অবিচা‌রের রাজত্ব বে‌শি‌ দিন চলবে না। তাদের উন্নয়ন মা‌নে প্রশ্নপত্র ফাঁস, উন্নয়ন মা‌নে র‌ডের বদ‌লে বাঁশ।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘৮ ফেব্রুয়ারি য‌দি রায় দেওয়া হয়, যদি বিচারপ‌তিরা সঠিক রায় দেন, তবে খা‌লেদা জিয়া সসম্মা‌নে মু‌ক্তি পাবেন। আর য‌দি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তো বলাই আছে কী কর‌তে হ‌বে। অন্যা‌য়ের কা‌ছে কোনো ইমানদার মানু‌ষের মাথা নত করা উচিত নয়।’

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং গণগ্রেপ্তার বন্ধের দাবিতে এ প্রতিবাদী যুবসমাবেশের আয়োজন করে স্বাধীনতা ফোরাম।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ‘অসুস্থতা’র কারণে তিনি আসতে পারেননি।

আলাল বলেন, ‘পরিবর্তিত একটি দায়িত্ব আমাকে পালন করতে হচ্ছে আপনারা দেখছেন, যে দায়িত্বটি আমার পালন করার কথা না সেইটি করছি। বিএনপির পক্ষ থেকে, ২০-দলীয় জোটের পক্ষ থেকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ঠিক সে রকমেরই। যে এখন যদি এইখানে আমিও অনুপস্থিত থাকতাম, হয়তো শিরীন সুলতানা কিংবা অ্যাডভোকেট আবদুস সালামকে এই দায়িত্বটি পালন করতে হতো। আমাদেরও কিন্তু লক্ষ রাখতে হবে ৮ তারিখ, ৯ তারিখ, ১০ তারিখ কিংবা ২৫-২৬ তারিখ ব্যাপার না, ব্যাপারটা হচ্ছে কবে? রায় ঘোষণা করে বেগম খালেদা জিয়াকে বড় কারাগার থেকে ছোট কারাগারে নেওয়ার ব্যবস্থা যেদিন করতে যাবে, সেদিনই! কেউ থাকুক আর না থাকুক পরবর্তী লোকদের সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘গণগ্রেপ্তারের মধ্যে সমস্যার সমাধান হ‌বে না। মানুষের অন্তরকে কারাগারে পাঠানো যায় না। ৮ ফেব্রুয়ারি যদি এ রকম কোনো রায় দিয়ে ভবিষ্যৎ একতরফা নির্বাচনের কোনো অপপরিকল্পনা করা হয়, আমি আগেই বলেছি যদি আমি কারাগারে চলে যাই, আপনারা দায়িত্ব পালন করবেন। বাকশালও কিন্তু করা হয়েছিল, ফলাফল কিন্তু ভালো হয় নাই। ৮ ফেব্রুয়ারি আমাদের সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করে রাখতে হবে। যদি রায়ের তারিখ পরিবর্তন হয়, পরবর্তীতে সেই একই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। এর পর থেকে রাজপথে আমাদের থাকতেই হবে, যখন গ্রেপ্তার করা হোক যা করা হোক। পুলিশের ওপর হামলা করা হয়েছে এ রকম একটি নাটক সাজিয়ে এ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

বিএনপির নির্বাহী কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কার্যনির্বাহী সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, নিপুণ রায় চৌধুরী, কেন্দ্রীয় জাসাসের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা।

Sharing is caring!

Loading...
Open