তামিম ১১ হাজার ও সাকিব ১০ হাজার রান পূর্ণ করেছেন।


সুরমা টাইমস ডেস্ক ঃঃ সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের জাতীয় অভিষেক দলে অভিষেক হয়েছে একবছর আগে ও পরে। সাকিব ২০০৬ সালে আসেন দলে, তামিম আসেন ২০০৭ এ। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি মিলিয়ে দুজনে প্রায় সমান ম্যাচ খেলেছেন। বয়সে পার্থক্য থাকলেও সম্পর্কটা বন্ধুত্বেরই। আর রান তোলার ক্ষেত্রে কীর্তি গড়েছেন দুই বন্ধু। তিন ফরম্যাট মিলে তামিম ১১ হাজার ও সাকিব ১০ হাজার রান পূর্ণ করেছেন। শুক্রবার মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাট করতে গিয়ে দুজনেই ছুঁয়েছেন এই ব্যক্তিগত মাইলফলক। দুজনে ৯৯ রানের জুটিও বেধেছিলেন এইদিন।

ত্রিদেশীয় সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাট করতে নামার আগে তামিমের ক্যারিয়ারে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি ম্যাচ সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৫২, ১৭৫ ও ৫৯ টি। সেই ম্যাচগুলোতে এই ড্যাশিং ওপেনারের রান সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৩৮৮৬, ৫৮৫০ ও ১২৫৭। এর মধ্যে গতবছর বিশ্ব একাদশের হয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটি টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিলেন। সেখানে তিন ম্যাচে তার সংগ্রহ ছিল যথাক্রমে ১৮, ২৩ ও ১৪ রান। সেই ম্যাচ তিনটি হিসাবে ধরলে ১৭৬ তম ওয়ানডে খেলতে নামার আগে ১১ হাজার রান থেকে তার দুরত্ব ছিল মাত্র ৭ রানের। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে চার মেরে এই মাইলফলকে পৌঁছান ২৮ বছর বয়সী তামিম। শেষপর্যন্ত ৮৪ রান করে আউট হন এই বাঁহাতি। বর্তমানে তার মোট ক্যারিয়ার রান ১১ হাজার ৭৭।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১০ হাজার রান পূর্ণ করতে সাকিবের প্রয়োজন ছিল ৬৬ রান। এর আগে ৫১ টেস্ট, ১৮১ ওয়ানডে ও ৬১ টি-টুয়েন্টি ম্যাচে যথাক্রমে ৩৫৯৪, ৫১১৭ ও ১২২৩ রান করেছেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজের ১৮২ তম ওয়ানডেতে ৬৭ রানের ইনিংস খেলেন ৩০ বছর বয়সী সাকিব। ম্যাচের ৩৭ তম ওভারের শেষ বলে দুই রান নিয়ে দশ হাজার রানের কীর্তি স্পর্শ করেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। সাকিবের ক্যারিয়ারের মোট সংগ্রহ এখন দশ হাজার এক রান।

বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সব ফরম্যাট মিলিয়ে দশ হাজার রান করেছিলেন তামিম। গতবছরের মার্চে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। এবার সাকিব এই কীর্তি গড়লেন ৩২৯ ইনিংসে। তিন সংস্করণ মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩৪ হাজার ৩৫৭ রানের বিশ্বরেকর্ড কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের।

Sharing is caring!

Loading...
Open