সিলেট বি আরটিএ অফিসে চলছে সীমাহীন দুর্নীতি


সুরমা টাইমস্‌ ডেস্ক ঃঃ সিলেট বি আরটিএ অফিসে যানবাহনের ফিটনেস নিয়ে নিয়ে এডি কে এম মাহবুব কবির ও এমভি আই জমির হোসেন সীমাহীন দুর্নীতি করছেন ।
নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ফিটনেস প্রতি গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা ।
গাড়ি প্রতি সর্বনিম্ন ৮শ থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করছেন কর্মকর্তারা।
দুর্নীতির কারণে সেবা পাচ্ছেননা গ্রাহকরা । যানবাহনের ফিটনেস,পারমিট ,নবায়ন, ইস্যু, মালিকানা বদলী থেকে শুরু করে লাইসেন্স
করতে আসা লোকজন হচ্ছেন প্রতিদিন হয়রানির শিকার ।
গাড়ি বিক্রি করেও রেহাই নেই।ঘুষ ছাড়া হচ্ছেনা মালিকানা পরিবর্তন ।অফিসের প্রতিটি সেক্টরে চলছে ঘুষ বানিজ্য ।
এডি কে এম মাহবুব কবির যোগদানের পর থেকেই অনিয়মকে নিয়ম করে চালাচ্ছেন বি আর টি এ অফিস বেশিরভাগ যানবাহনের মেয়াদ
শেষ হয় বছরের মাঝামাঝি সময়।
গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে এমভি আই জমির হোসেন যানবাহনের ফিটনেস ইস্যু নিয়ে তুলকালাম বাধিয়েছেন ।
ঘুষ আদায় করতে গিয়ে অফিসে তাকে পিঠূনি দেন এক গ্রাহক। পরে এ নিয়ে মামলা মোকাদ্দমা হলেও শেষ পর্যন্ত চাকুরী রক্ষার্তে
আপোষে মিটমাট করে নেন । পরবর্তীতে তার বিরুদ্দে পত্রিকায় ধারাবাহিক দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশিত হলে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত এডি ডালিম তার কাছ থেকে ফিটনেসের দায়িত্ব কেড়ে নেন । দায়িত্ব দেওয়া হয় এমভি আই আবুল বাশারের উপর ।তিনি ভালভাবে দায়িত্ব চালিয়ে গেলেও প্রতি হিংসার লিপ্ত হন জমির হোসেন । ভারপ্রাপ্ত এডি ডালিম থাকাকালিন অবস্থায় সুবিধা করতে পারেননি জমির হোসেন ।নতুন এডী প্রকৌশলী কে এম মাহবুব কবির যোগদানের পর থেকেই জমির হোসেন ফায়দা লুটতে থাকেন । চল চাতুরীর আশ্রয় নিয়ে ফিরিয়ে নেন ফিটনেস শাখার দায়িত্ব ।দায়িত্ব পেয়ে লুটপাট করতে মরিয়া হয়ে উঠেন তিনি।
ঘোষণা করেন এমন প্রতিটি যানবাহনের ফিটনেস করতে আসা গ্রাহকেরা প্রতিনিদির মারফতে ফিটনেস করতে গেলে প্রতিনিধি ফরম পূরণ করে
গাড়ির ভেদে নির্দিষ্ট হারে টাকা তুলে দিতে হবে আলীর কাছে অন্যথায় কারো ফিটনেস নেওয়া হবেনা ।
টাকা জমা না দিলে গাড়ির বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে গ্রাহককে ফিরিয়ে দেন।
আলী হোসেন হচ্ছেন ফিটনেস শাখার জমির হোসেনের ব্যাক্তিগত কেশিয়ার এবং জমির হোসেন’র আস্থাভাজন,মূলত আলী হোসেন হচ্ছেন অফিসের একজন সীল ম্যাকানিক।
জানাগেছে, যানবাহনের অধিকাংশ মালিকরা হয় প্রবাসী না হয়
চাকুরীজীবী অথবা মহিলা।তারা অফিসে এসে ফিটনেস জমা করতে না পারায় প্রতিনিধি নিয়োগ করে পাঠান।
প্রতিনিধি নিয়োগ করার বৈধতা থাকলেও তাদের কাছে কোন বৈধতা নেই। এমভি আই জমির হোসেন জানান, গাড়ির মালিকরা নিজে এসে ফিটনেস জমা দিলে
কোন টাকা নেওয়া হয়না ।কিন্তু প্রতিনিধি দ্বারা জমা দিলে টাকা দিতে হবে। কারন গাড়ির মালিকরা প্রতিনিধীকে টাকা দিয়ে ফিটনেস করতে পাঠান।
তাহলে প্রতিনিধিরা অফিসে টাকা দেবেননা কেন। টাকা নেওয়া কি বৈধ্য? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈধ্য অবৈধ বুঝিনা অফিসের নিয়ম মেনে চলতে হবে।

Sharing is caring!

Loading...
Open