হতাহতদের খোঁজ নিচ্ছে না সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ-২,এলাকায় উত্তেজনা

নিজস্ব প্রতিনিধি;: সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ সম্মুখে শনিবার (১৩ই জানুয়ারী) বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারান একই পরিবারের তিনজন। এঘটনায় আহত হন আরো অন্তত ২০জন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৪দফা দাবীতে প্রায় ৩ঘন্টা সিলেট-তামাবিল সড়ক অবরোধ করে রাখে স্থানীয় জনতা।

পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ৪দফা দাবী পুরণের আশ্বাসে রাস্তার অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।

সরজমিন ঘুরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের আশ্বাসের ভিত্তিত্বে সড়ক দূর্ঘটনার জন্য সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জিএম এর বিরুদ্ধে চরম গাফিলতির অভিযোগ উঠে।

যার পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিকভাবে জিএম আবু হানিফকে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ অবস্থান না নেওয়া, ঘটনার রাত থেকে সিলেট তামাবিল মহাসড়কের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার রাস্তার উভয় পাশ্বের সকল খাম্বা সরানো, আহত নিহতদের যাবতীয় চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন এবং আগামীতে মহাসড়কে খাম্বার ড্রাম্পিং এবং পার্কিং না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে, নির্দেশ অমান্য করে জিএম রাতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ অবস্থান, ভোর বেলা ত্যাগ করা এবং আহত নিহতদের খোঁজ-খবর না নেওয়ার কারনে ক্ষুব্দ এলাকাবাসী। তারা যে কোনো সময় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ঘেরাও করতে পারেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।

এছাড়া গত শনিবার ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, ভাইস চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন, জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিম, সহকারী কমিশনা (ভূমি) মুনতাসির হাসান পলাশ, জৈন্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মো: মাইনুল জাকির, দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, চারিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার বলেন, ঘটনার পর হতে রাস্তার দু’পার্শ্বের খাম্বা সরানোর কাজ চলছে। তবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ আহত নিহতদের কোনো ধরনের খোঁজ খবর নেয়নি।

অন্যদিকে, জিএম আবু হানিফ গোপনে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অবস্থান করায় এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। যে কোনো মুহুর্তে বড় ধরনের হামলা হওয়ার আশঙ্কা।

Sharing is caring!

Loading...
Open