ওসমানীনগরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ২০ জন আহত


জস্ব প্রতিবেদক :
সিলেটের ওসমানীনগরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে প্রায় ১ ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

জানা যায়, সোমবার (৮জানুয়ারী) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাজপুর ডিগ্রী কলেজে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনা গ্রুপের মঞ্জুর ও চঞ্চল গ্রুপের হাম্মানের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংর্ঘষ হলে মঞ্জুর আহত হয়। এর জেরে দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা আরো সংঘটিত হয়ে তাজপুর বাজারে লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান নেয়। দুপুর আড়াইটার দিকে আবারো তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষ ব্যাপক ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।

সংঘর্ষ চলাকালে মহাসড়কে সব ধরণের যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এ সময় ‘অয়ন ফার্মেসী’ নামে একটি ঔষধের দোকান ভাংচুর করা হলে বন্ধ হয়ে যায় বাজার এলাকার দোকানপাঠ । পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। সংঘর্ষে আওয়ামীলীগ নেতা চয়ন পাল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক চঞ্চল পাল, জুয়েল, রাহিম, অজয়, রানু দেব, মঞ্জুর, রাসেল, সুজিত, শিপন, টিটু, সুজন, টিপু, জুনেদ, রাহিম, আবির, মন্নান, ছুরতসহ উভয়পক্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে।

ওসমানীনগর থানা যুবলীগের সভাপতি আনা মিয়া বলেন, আমি অসুস্থ। ঠিকমতো হাটাচলা করতে পারি না। সংঘর্ষের ঘটনা শুনেছি তবে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক চঞ্চল পাল বলেন, পরিকল্পিত ভাবে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীরা আওয়ামী লীগ পরিবারের লোক নয়, এরা জামায়াত শিবিরের লোক। ছদ্মবেশে তারা এই নেক্কারজনক হামলা চালিয়েছে।

ওসমানীনগর থানার ওসি (তদন্ত) আনোয়ারুল হক সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, যেকোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open