নগরীর দুর্গাকুমার পাঠশালায় হামলার মামলায় সনাক্ত হয়নি কোন আসামী!

নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেট নগরীর বন্দরবাজারের ঐতিহ্যবাহী দুর্গাকুমার পাঠশালা সরকারি স্কুলে বই বিতরণ উৎসবে হামলার মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই ফায়েজ উদ্দিন ফয়েজ।

তদন্তের নামে আলোচিত এ মামলাটি তিনি প্রায় দীর্ঘ ১১মাস ধরে তদন্ত করলেও কোন আসামীও সনাক্ত করতে পারেননি। তবে আদালত তদন্ত কর্মকর্তার দাখিলকৃত অভিযোগপত্র এখনও আমলে নেননি। বরং এই অভিযোগপত্রে কোন আসামী সনাক্ত না হওয়ার কারণে অভিযোগপত্রটি পর্যালোচনায় রেখেছেন বলে আদালতের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় গত ১২ই ডিসেম্বর অভিযোগপত্রটি গ্রহণ হয়। এরপর গত ১৪ই ডিসেম্বর আদালতের প্রসিকিউশন শাখা থেকে সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (নং-৭৬/১৭) প্রেরণ করা হয়।

কোতায়ালি থানার জেনারেল রেকর্ড অফিসার (জিআরও) নেহার রঞ্জন জানান- প্রসিকিউশন শাখার মাধ্যমে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও এখনও তা আমলে নেননি আদালত। যতটুকু জানতে পেরেছি আদালত অভিযোগপত্রটি পর্যালোচনা করছেন। এখনও কোন সিদ্ধান্ত নেননি আদালত।

আদালতে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন-দুর্গাকুমার পাঠশালা স্কুলে চলতি বছরের গত ১লা জানুয়ারি বই বিতরণ উৎসব চলাকালিন দুপুর ১২টা ২০মিনিটে বন্দরবাজারস্থ কালেক্টর মসজিদের ২য় ইমামের দোয়ার মধ্যে দিয়ে অনুষ্টান সমাপ্তি হয়। এরপর স্কুলের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদেরকে শ্রেণী কক্ষে নিয়ে বই বিতরণ করেন। বই বিতরণের সময় দুপুর দেড়টার দিকে কয়েকজন কোমলমতি শিক্ষার্থী মঞ্চে উঠে গান শুরু করেন।

এরপর ১টা ৪৫ মিনিটে ১০/১৫ জন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা বেআইনী জনতায় লাঠি সোটা নিয়ে স্কুলে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে ব্যানার, চেয়ার ও মাইক ভাংচুর করে পালিয়ে যায়। এমনকি তদন্তকালে হামলা সংক্রান্তে সু-নির্দিষ্ট কোন তথ্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ি স্কুলে প্রধান শিক্ষিকা বাদী হয়ে চলতি বছরের (২রা জানুয়ারি) ৩০-৩৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামী করে মামলা নং-১ দায়ের করেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open