ব্যাবসায়ী দিপু হত্যা রহস্য উদঘাটনের দ্বারপ্রান্তে পুলিশ

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি:: গোলাপগঞ্জে ব্যাবসায়ী দিপু হত্যা রহস্য উদঘাটনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে পুলিশ। ইতোমধ্যে বেশ কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সন্দেহাতীতভাবে বেশ ক’জনকে আটকও করেছে পুলিশ। ঘটনার মূল কারণ শিগগিরই জানাবে বলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে নিহত দিপুর মা বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন।

জ্ঞান ফিরলেই মা শুধু দিপু দিপু বলে ডাকছেন। তাকে শান্তনা দেওয়ার মত ভাষা কেউ খোঁজে পাচ্ছেন না। মায়ের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে। তাকে শান্তনা দিতে এসে স্বজনরা অশ্রু ধরে রাখতে পারছেন না। আক্ষেপ আর নীরবে অশ্রু সবার চোখ টলমল করছে। এলাকাবাসী দিপু হত্যাকারীর ফাঁসি দাবি করেছেন।

উল্লেখ্য, গত রবিবার রাতের কোন এক সময়ে কে বা কারা ঢাকাদক্ষিণ ইউপির দক্ষিণ রায়গড় গ্রামের সৌদি প্রবাসী ওবুদ মিয়ার পুত্র তোফায়েল আহমদ দিপুকে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মারাত্বক আঘাত করে হত্যার পর লাশ বাড়ির সামনে পুকুর পাড়ে ফেলে যায়।

পরে গত সোমবার সকালে দিপুর রক্তাক্ত লাশ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্বার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
এ ঘটনায় সন্দেহাতীতভাবে ৩জনকে আটক করে পুলিশ। তারা হলেন- নিহত দিপুর চাচা অপুল আহমদ (৫০), চাচাতো ভাই (অপুল আহমদের ছেলে) অনীক আহমদ (২২) ও তার বন্ধু একই এলাকার আলাউদ্দিনের পুত্র লায়েক আহমদ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হত্যা রহস্য উদঘাটনে পুলিশ একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গেছে গেছে বলে জানা গেছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে বেশি বলা যাবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ব্যপারে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ একেএম ফজলুল হক শিবলী বলেন- দিপু হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। খুব শীঘ্রই খুনিদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা যাবে। তদন্তের স্বার্থে এর থেকে বেশি বলা যাবে না।

Sharing is caring!

Loading...
Open