এমপি মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরীর মুখে ইলিয়াস বন্দনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা ফেঞ্চুগঞ্জে ,


সুরমা টাইমস ডেস্ক:: এমপি মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরীর মুখে ইলিয়াস বন্দনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা ফেঞ্চুগঞ্জে। মুখে মুখে রটে যাচ্ছে আগুন জ্বালানো তার এ বক্তব্যে। অডিও – ভিডিও হাতে হাত হয়ে ফিরছে কৌতুহলী সচেতন মহলে।

অগ্নিমূর্তি রূপে তার এ বক্তব্য যেন জমায়িত কোন ক্ষোভের নগ্ন বহি:প্রকাশ। প্রশ্ন উঠছে তার মানসিক ভারসাম্য নিয়ে। তারপরও বক্তব্যে বললেন, ইলিয়াস আলীকে মিস করেন তিনি। তার মতো ৫০ জন এমপি থাকলে বাংলাদেশের অবস্থা এতো খারাপ হতো না।
ছোট বেলায় মারামারি করে বড় হয়েছে তিনি। গুন্ডা ছিল ৮ জন, কাস এইট-নাইনে থাকতেই তিনি শাসন করেছেন তাদের। আমি কাউকে গুন্ডামি করতে দেই নাই , দেবও না। আমি স্বাধীনতা বিরোধী প্রস্তাব এনেছি।

আলোচনা সভার বিশৃং
Audio Player
00:00
00:00
Use Up/Down Arrow keys to increase or decrease volume.

খলা করে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আমি এখানে কোন দিন প্রশাব করতেও আসবো না, শাহলাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী ধ্বংস হয়ে যাক, আমি এটা কামনা করি। আমি সুষ্টি করেছিলাম। তোমরা জানো এক ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখে হাসিনা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কয়েছ যদি পাশ করো, আমি যদি নিবার্চিত হয়ে সরকার গঠন করে তাহলে শাহজালাল ফর্টিলাইজার হবে। এ নিয়ে ১৫৭টি রিট হয়েছে, শেখ হাসিনা জানেন মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী সব পারে।

আমি সৃষ্টি করতে পারি, ধ্বংসও করতে পারি। কয়েছ তার ঝাজ্বালো বক্তব্যে বলেন, আমি বক্তব্য দিচ্ছি আর এখানে উচ্চু বাক্য হচ্ছে, তাহলে এখানো আমাকে কেন এনেছো। সারাদিন থেকে কয়েক ঘন্টা বক্তব্য দিয়েছি, কই আমার গলার তো কোন পরিবর্তন হলো না। আমি মানুষকে বড় মায়া করি, লাত্তি দেই না। ১ ৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যয় শাহজালাল ফার্টিলাইজার কর্মকর্তা কর্মচারী আয়োজিত বিজয় দিবসের এক আলোচনা সভায় চাঞ্চল্যেকর এ বক্তব্য দেন তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিবিএ সভাপতি সালেহ আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুহিবুদ্দিন বাদল প্রমুখ।

Sharing is caring!

Loading...
Open