সুরমার করালগ্রাসে কানাইঘাটে রাস্তাসহ বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি

নিজস্ব প্রতিনিধি:: সিলেটের কানাইঘাটে সুরমা নদীর করালগ্রাসে রাস্তা সহ বিলীন হতে চলছে নদীর তীরবর্তী ঘরবাড়ি। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পৌরসভার লক্ষীপুর,গৌরীপুর নামক স্থানে কানাইঘাট-সাতবাঁক পাকা রাস্তাটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। যার কারনে পৌর সদরের সাথে সাতবাঁক ইউপির মানুষের এ রাস্তা দিয়ে যোগযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে চরম র্দুভেগের শিকার হচ্ছেন এ এলাকার হাজারো মানুষ। বিশেষ করে শিশু ও মহিলারা পড়েছেন বিপাকে। লক্ষীপুর গ্রামের দরিদ্র বাবুল আহমদ, সেলিম আহমদ, আবু সিদ্দেক, কইটুরী, কুটিনা বেগম তাদের নিকটবর্তী গৌরীপুর গ্রামের হাফিজ ময়নুল হক, শাহাজাহান ও আব্দুল মালিকের বাড়ির সিংহভাগ গত বুধবার রাতে একই সাথে নদী গর্ভে বিলীন হলেও ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে তারা ঝুকি পুর্ণভাবে বাড়িতে বসবাস করছেন। গভীর এ ভাঙ্গন দেখলে যে কারোর গা শিউরে উঠবে। কিন্তু দরিদ্র এ মানুষগুলোর মাথা গোজানোর শেষ ঠিকানা এই পৌত্রিক বাড়িঘর। তবে এখানে নদীর বাঁকা ডহর থাকায় বর্ষা মৌসুমে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানির চাপে নরম হয়ে যায় এ পাড়টি।

যার কারনে শুকনো মৌসুমে এখানকার কোন না কোন জায়গায় গভীর ভাঙ্গন দেখা দেয়। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী জানান পৌর মেয়রের উদাসীনতার কারনে এ ভাঙ্গন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এ ওর্য়াডের কাউন্সিলর শরীফ উদ্দিন জানান এলাকার নদী ভাঙ্গন নিয়ে তিনি পৌরসভার বিভিন্ন সভায় দাবী উত্থাপন করেছেন। এমনকি সর্ব শেষ ৩১ অক্টোবরের সভায় এ নিয়ে জুড়ালো দাবী উত্থাপন করলে পৌরসভার পক্ষ থেকে মেয়র কোন পদক্ষেপ নেননি বলে দাবী করেন তিনি।

এদিকে কানাইঘাট পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিনের ছোট ভাই কাউন্সিলর বিলাল আহমদ জানান, মেয়র নিজাম উদ্দিন সরেজমিন পরিদর্শন করে পৌরসভার পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ ৪টি পরিবারকে ৫ হাজার করে ২০ হাজার টাকার চেক ইস্যু করেছেন। এবং নদী ভাঙ্গন বিষয়ে তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ উধ্বতন কতৃপক্ষের সাথে আলাপ করেছেন। যাই হোক এই মুর্হুতে কার্যকরী উদ্যেগ গ্রহণ না করলে ভাঙ্গন আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই কতৃপক্ষ দ্রুত ভাঙ্গন রোধের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এলাকাবাসী জোরদাবী জানিয়েছেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open