কেয়া চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনা,প্রশাসনের নীরব ভূমিকা!

নিজস্ব প্রতিনিধি:: হবিগঞ্জের বাহুবলে কেয়া চৌধুরী এমপিসহ নারী ইউপি মেম্বারদের উপর হামলা ঘটনার ১৫ দিনেও কেউ গ্রেফতার হয়নি। হামলাকারীদের গ্রেফতার দাবিতে প্রতিদিন বাহুবল ও নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বাহুবলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে রবিবার অবস্থান ধর্মঘট ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে স্থানীয় সন্ত্রাস-দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি। কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে শনিবার দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রচার চালানো হয়েছে।

গত ১০ই নভেম্বর উপজেলার মিরপুর বাজারের অদূরে বেদে পল্লীতে সরকারি সহায়তার চেক বিতরণকালে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে হবিগঞ্জ-সিলেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত নারী সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী এমপির উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে।

এ হামলায় ইউপি সদস্য পারভীন আক্তার ও সাবেক সদস্য রাহিলা আক্তারসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। গত ১৮ই নভেম্বর রাতে এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করেন উপজেলার লামাতাসী ইউপির ১নং (সাধারণ ওয়ার্ড ১, ২ ও ৩) সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য পারভীন।

মামলায় বাহুবলের নবনির্বাচিত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তারা মিয়া ও হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য আলাউর রহমান সাহেদসহ তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১৪/১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে বাহুবল, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, সিলেটসহ বিভিন্ন জায়গায় সভা, সমাবেশ, মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

গত ১৬ই নভেম্বর সন্ত্রাস-দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে ৫ ঘন্টার অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হয়। তখন ২৬শে নভেম্বর বাহুবল উপজেলা সদরস্থ মৌচাক পয়েন্টে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে শান্তিপূর্ণ অবস্থান ধর্মঘটন ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

Sharing is caring!

Loading...
Open