তামাবিল স্থলবন্দর চালু হওয়াতে বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশই উপকৃত হবে-অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, সিলেটের সীমান্ত জনপদ গোয়াইনঘাটের তামাবিল স্থলবন্দর চালু হওয়াতে বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশই উপকৃত হবে। এর ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং দারিদ্র্য কমবে।

শুক্রবার স্থলবন্দরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী সাফল্যের মধ্যে রয়েছে ১১টি স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠিত হওয়া। আরও ১০টি কন্টেইনার বন্দর স্থাপনের কাজ চলছে। স্বাধীনতার সময় এদেশের ৭০ শতাংশ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে ছিলেন, তা এখন সাড়ে ২২ শতাংশে নেমেছে। আগে এক কোটি ১০ লাখ টন খাদ্য উৎপাদন হতো, এখন তিন কোটি ৮০ লাখ টন খাদ্য উৎপাদন হয়।

দেশ স্বাধীনের পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রামবন্দরের অবস্থান ছিল ৯৮তম, এখন ৭১তম স্থানে এসেছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠা করলে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পায়। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালে আর্থিক উন্নতি হয়। ইতোমধ্যে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছে গেছি, যদিও সার্টিফিকেট পাইনি। ২০৪১ সালে সত্যিই আমরা সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হতে পারবো। গত নয় বছরে দেখেছি, আমাদের দেশের মানুষ বাধা না পেলে নিজের জোরেই এগিয়ে যায়। সবাই করিৎকর্মা। এখন আয় বেড়েছে মানুষের প্রচেষ্টায়।

জানা গেছে, ২৩ দশমিক ৭২ একর ভূমিতে অধিগ্রহণসহ ৬৯ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে স্থলবন্দরটি নির্মাণে। সম্প্রসারিত তামাবিল স্থলবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে রয়েছে, সীমানা প্রাচীর, সিসি ইয়ার্ড, পাওয়ার হাউজ, ১০০কেবি জেনারেটর, দুইটি ওয়েব্রিজ স্কেল পণ্যাগার শেড, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, টয়লেট, গোসলখানা।

এছাড়া প্রস্তাবিত ওই প্রকল্পে রয়েছে, কর্মকর্তা/কর্মচারী আবাসিক, পুলিশ ব্যারাক ও নিজস্ব অফিস ভবন। বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ওই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এছাড়া প্রস্তাবিত আবাসিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলার জন্য ৩ দশমকি ১৮ একর, সাইটের নির্মাণের জন্য ২৪ দশমিক ৯৮ একর ভূমি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open