গণজাগরণ মঞ্চের বিক্ষোভ সমাবেশ পুলিশি বাঁধা,ফেরার পথে ধাওয়ার মুখে ইমরান!

সুুরমা টাইমস ডেস্ক::শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের বিক্ষোভ সমাবেশ করতে দেয় নি পুলিশ। সমাবেশ করতে না পেরে ফেরার পথে দুইদিনের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মত হামলার শিকার হয়েছেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার।

শুক্রবার (১৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এই হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এরআগে বৃহস্পতিবার বিকেলে শাহবাগ মোড়ে হামলার শিকার হয়েছিলেন ইমরান।

বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারে নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদ ও ত্রাণ জোরদারের দাবিতে শাহবাগে মানববন্ধন শেষে বৃহস্পতিবার তার ওপর হামলা করা হয়েছিল।

শুক্রবার শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন ইমরান। কিন্তু বিকেল চারটায় সে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে দেয় নি পুলিশ। কর্মসূচি পালন করতে না পেরে শাহবাগ থেকে ফেরার পথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যাওয়ার পর পেছন থেকে দুর্বৃত্তরা তাদের ওপর আক্রমণে উদ্যত হলে তারা দৌড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নেন।

ইমরান এইচ সরকার তাদের ওপর হামলার বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, শাহবাগের কর্মসূচি পালন করতে না পেরে তারা ১০-১২ জন যখন হেঁটে পরিবাগের দিকে যাচ্ছিলেন তখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে ১৫-২০ জন লোক অতর্কিতে তাদের ধাওয়া দেয়। তারা দৌড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নেন।

ইমরান এইচ সরকার বলেন, হামলাকারিদের হাতে লাঠিসোঁটা ছিল।

এদিকে, বৃহস্পতিবারের হামলার ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেছেন ইমরান এইচ সরকার। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ইমরান এইচ সরকার অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করে ওই মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেশে কোনও বন্যা নেই, এসব তোদের সৃষ্টি- বলেই তাদের কয়েকজন লাঠিসোঁটা, বাঁশ, ইট-পাটকেল নিয়ে আমাদের ওপর হামলে পড়ে বলে জানিয়েছিলেন ইমরান এইচ সরকার। ঘটনার পর পরই তার প্রতিক্রিয়ায় হামলার জন্যে ছাত্রলীগকে দায়ি করেছিলেন তিনি।

এরআগে গত ১৬ জুলাই ঢাকার আদালতপাড়ায় ছাত্রলীগকর্মীদের হামলার শিকার হন ইমরান এইচ সরকার।

হেফাজতে ইসলামের দাবির মুখে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গন থেকে ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদী মিছিল থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ‘কটূক্তি’র অভিযোগে এক ছাত্রলীগ নেতার করা মানহানির মামলায় ওই দিন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ইমরান। জামিন নিয়ে ফেরার পথে আদালত প্রাঙ্গণেই তার গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করা হয়।

Open