জৈন্তায় জামাল খুনের নেপথ্যে প্রেম,প্রেমিকার স্বীকারোক্তি !

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটের জৈন্তাপুরের জামাল হোসেনকে নৃশংসভাবে খুন করা হয় প্রেমের কারণে। প্রেমিকা আমেনার বাড়িতে ডেকে নিয়ে চোখ উপড়ে ফেলা হয়। খুন করা হয় অণ্ডকোষ থেঁতলে। পরে হাতে-পায়ে পাথর, ইট বেঁধে রাতের আঁধারে লাশ ডুবিয়ে দেয়া হয় নদীতে। খুনের তিনদিন পর লাশটি ভেসে উঠে। আদালতে জামালের প্রেমিকা আমিনার দেয়া স্বীকারোক্তিতে এই হত্যা রহস্য বেরিয়ে এসেছে।

আমিনা আদালতকে জানায়, গত শনিবার বিকালে জামালকে আমিনার স্বামীর বাড়িতে ডেকে নেয়া হয়। সেখানে আমিনা, তার স্বামী, দেবর, ভাসুর মিলে নৃশংসভাবে খুন করে জামালকে। গত বৃহস্পতিবার আদালতে এই স্বীকারোক্তি দেন জামালের প্রেমিকা আমিনা।

এর আগে গত মঙ্গলবার কলসী নদী থেকে জামালের লাশ উদ্ধার করা হয়।

আমেনা জানায়, খুন হওয়া জামাল তার ফুপাতো ভাই। বিয়ের আগে তাদের দু’জনের প্রেম ছিল। কিন্তু পারিবারিকভাবে বিয়েতে রাজি না হওয়া জামাল ও আমেনা অন্যত্র বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পরও জামাল আমেনাকে ভুলতে পারেনি।আমেনার স্বামীর বাড়িতে এ ঘটনার জেরেই শনিবার বিকালে জামালকে ডেকে নেয়া হয় জৈন্তাপুর উপজেলার কেন্দ্রী ঝিঙ্গাবাড়ি গ্রামে।

রাতে জামালকে খুন করে লাশ ফেলে দেয়া হয় পাশ্ববর্তী কলসী নদীতে। মঙ্গলবার লাশটি ভেসে উঠলে পুলিশ উদ্ধার করে। বুধবার পুলিশ ঝিঙ্গাবাড়ির মইনুল ইসলামের স্ত্রী আমিনা বেগম, সিরাজ উদ্দিন মিস্ত্রির ছেলে আইনুল ইসলাম ও জয়নুল ইসলাম এবং একই গ্রামের কলিম উদ্দিনের ছেলে মনিরকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে হাজির করলে আমিনা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

Open