জগন্নাথপুরে প্যানেল চেয়ারম্যান সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সুরমা টাইমস ডেস্ক: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জাবেদ চৌধুরীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৭.৮,৯ নং ওয়ার্ড সদস্য মোছা. সেলিনা বেগম। শনিবার জগন্নাথপুর থানায় মামলা নং ০৪ দায়ের করা হয়।

মামলায় প্যানেল চেয়ারম্যান জাবেদ চৌধুরীসহ অন্যান্য আসামীরা হলেন ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য ছানু মিয়া, ৫নং ওয়ার্ড সদস্য গোলাম মোস্তফা আলাল, ৪,৫,৬ নং সংরক্ষিত নারী সদস্য আফিয়া খানম ও ৮নং ওয়ার্ড সদস্য হত্যা মামলার আসামি ফজলু মিয়া’র প্রতিনিধি বুরাইয়া গ্রামের মৃত মনাফ উল্যার ছেলে রুনু মিয়া।

লিখিত অভিযোগে নারী সদস্যা মোছা. সেলিনা বেগম উল্লেখ করেন বুধবার আশারকান্দি ইউনিয়নের ভিজিএফের ৩০ কেজি চাল ও নগদ ৫০০ টাকা বিতরণ কার্যক্রম চলাকালে ৮নং ওয়ার্ড সদস্য ফজলু মিয়া হত্যা মামলার আসামি হওয়ায় তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে বুরাইয়া গ্রামের মৃত মনাফ উল্যার ছেলে রুনু মিয়া ওই ওয়ার্ডের চাল বিতরণের দায়িত্ব পালন করেন। চাল বিতরণকালে রুনু মিয়া ৫নং ওয়ার্ডের পাটকুড়া গ্রামের লুদু মিয়াকে দিয়ে একবার চাল ও টাকা নেয়ার পর ভূয়া নাম ব্যবহার করে আরেকবার টাকা ও চাল নিতে গেলে আমি এ বিষয়ে প্রতিবাদ করি। এক পর্যায়ে রুনু মিয়া আমাকে ধাক্কা মারিয়া মাটিতে ফেলে দেয়। এসময় ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জাবেদ চৌধুরী হুকুমে ৪নং ওয়ার্ড সদস্য ছানু মিয়া ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য গোলাম মোস্তফা আলাল ৪,৫,৬নং ওয়ার্ড সদস্যা আফিয়া বেগম আমাকে মারধর করে মাটিতে ফেলিয়া টানা হেচড়া করিয়া শ্লীলতাহানি ঘটনায় এবং কিল ঘুষি মারিয়া শরীরের বিভিন্নস্থানে ফুলা জখম করে। পরে আমার ওয়ার্ডের বাসিন্দারা আমাকে রক্ষা করে ইউনিয়ন কার্যালয় থেকে নিয়ে আসে। এ সময় আমার ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের চাল ও টাকা লুট করিয়া তারা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়ে যায় বলে তিনি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন।

অভিযোগ বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান জাবেদ চৌধুরী সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন মহিলা ইউপি সদস্যকে মারধরের কোন ঘটনা ঘটেনি। এই ঘটনা মিথ্যা।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ জানান, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাওয়ায় মামলা রজু করা হয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open