সরকার অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে-রাহাত আনোয়ার

সুুুরমা টাইমস ডেস্ক: সিলেটের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার বলেছেন, সরকার অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এজন্য আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে এবং আমাদের দেশের ইতিহাস জানতে হবে ও বুঝতে হবে। এজন্য প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের ভিশন।

তিনি বুধবার বিকেলে সমাজসেবা অধিদপ্তর সিলেট জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় ৫০ দিনব্যাপী কম্পিউটার, অফিস অ্যাপ্লিকেশন ও ড্রেসমেকিং এন্ড টেইলারিং বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী এবং আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সিলেট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক নিবাস রঞ্জন দাশের সভাপতিত্বে ও সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক লুৎফুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটিসি) সৈয়দ আমিনুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগ সিলেটের উপ-পরিচালক দেবজিৎ সিংহ।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুর রফিক, শহর সমাজসেবা অফিসার মোহাম্মদ রফিকুল হক, সমাজসেবা অফিসার রেজিঃ নিলুফা বেগম, প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা সিদ্ধার্থ শংকর রায়, সিলাম সুরমা সমাজ কল্যাণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সিলেটের ডাক এর সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার হাজী এম আহমদ আলী। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহকারী পরিচালক মো. আব্দুর রফিক।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পাত্র সম্প্রদায় কল্যাণ সমিতি সিলেটের সভাপতি গৌরাঙ্গ পাত্র, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন সিলেট জেলা সভাপতি স্বপন কুমার ঋষি দাস, ত্রিরাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন সিলেটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিলন উরাং, সেলাই প্রশিক্ষক বানী চক্রবর্তী, প্রশিক্ষণার্থী পপি গোয়ালা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সিলেট ইনক্লুুসিভ স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক মাসুক আলম। গীতা পাঠ করেন প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র সিলেটের প্রতিবন্ধী কর্মকর্তা সিদ্ধার্থ শংকর রায়।

অনুষ্ঠানে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে নগদ দশ হাজার টাকা এবং এর আগে প্রশিক্ষণকালীন বাইশ হাজার দুইশ’ টাকা প্রদান করা হয় এবং কারিগরী শিক্ষা অধিদপ্তরের সার্টিফিকেট প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়।

Sharing is caring!

Loading...
Open