বিয়ানীবাজারে লিটু হত্যা মামলায় ছাত্রলীগের চার কর্মী রিমান্ডে ।

নিজস্ব প্রতিনিধি: ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর শ্রেণিকক্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন খালেদ আহমদ। সিলেটের বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর শ্রেণিকক্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত খালেদ আহমদ ওরফে লিটু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের এক পক্ষের চার কর্মীর দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রিমান্ডে নেওয়া ছাত্রলীগের ওই চার কর্মী হলেন ফাহাদ আহমদ, কামরান হোসেন, এমদাদ হোসেন ও দেলোয়ার হোসেন। তাঁরা বিয়ানীবাজারে ছাত্রলীগের পাভেল মাহমুদ পক্ষের কর্মী হিসেবে পরিচিত।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বিয়ানীবাজার থানার পরিদর্শক জাহিদুল হক বলেন, রোববার (২৪ জুলাই) বিয়ানীবাজার আমল গ্রহণকারী আদালতের বিচারক ফারজানা শাকিলা সুমু চৌধুরী তাঁদের প্রত্যেকর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। চারজনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

১৭ জুলাই দুপুরে জেলা ছাত্রলীগের আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক পাভেল মাহমুদ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবুল কাশেম ওরফে পল্লবের অনুসারী দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর কলেজের শ্রেণিকক্ষে গুলির শব্দ হয়। পরে সেখান থেকে মাথায় গুলিবিদ্ধ খালেদ আহমদ লিটুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় খালেদের বাবা খলিল উদ্দিন বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে বিয়ানীবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ ঘটনার দিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজন ও পরে অভিযানে একজনকে আটক করে মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত বুধবার আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল।

Sharing is caring!

Loading...
Open