ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু ২৫ জুলাই থেকে…।

সুরমা টাইমস ডেস্ক : দেশজুড়ে আগামী ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হচ্ছে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) আব্দুল বাতেন জানান- ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্যও সংগ্রহের পরিকল্পনা তাদের ছিল। কিন্তু একাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে আসায় এখন কেবল ভোটার হওয়ার যোগ্যদের তথ্যই সংগ্রহ করার প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

এ মুহূর্তে কম-বয়সীদের তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করলে ‘নানা মহল সমালোচনার সুযোগ পাবে’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

“২০০০ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম, তাদের তথ্য একসঙ্গে ২০১৫ সালে নেওয়া হয়েছিল। অনেকের অনাগ্রহে তখন নিবন্ধনের হার কম ছিল। এবার হালনাগাদে বাদপড়াদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে; পাশাপাশি মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হবে।”

বেসরকারি সংস্থা ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ (ইডব্লিউজি) বলছে- যোগ্যতা থাকার পরও দেশের ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ নাগরিক ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।

এর পেছনে মূলত দুটি কারণ চিহ্নিত করেছে ইডব্লিউজি। এক. তথ্য সংগ্রহকারীরা যখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য নেন, বাদ পড়াদের ৫৬ দশমিক ১ শতাংশই তখন বাড়িতে ছিলেন না। দুই. তাদের ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ নিবন্ধনের সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

ইসির নির্বাচন সমন্বয় শাখার একজন কর্মকর্তা জানান- ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য ২৫ জুলাই থেকে ৯ অগাস্ট পর্যন্ত সারা দেশে তথ্য সংগ্রহের সূচি প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে কমিশন তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারভাইজার, নিবন্ধন কর্মকর্তা নিয়োগ ও প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতার জন্য বাজেট অনুমোদন করবে। কমিশনের অনুমোদন পেলেই তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে।

তিনি বলেন- এই ধাপে ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম, এমন নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই নির্দেশনা শিগগিরই মাঠ পর্যায়ের সকল উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রেজিস্ট্রেশন অফিসারের পাঠানো হবে।

প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী- বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সুপার ভাইজারদের যাচাই কার্যক্রম চলবে ২৫ জুলাই থেকে ৯ অগাস্ট। এরপর ২০ অগাস্ট থেকে ২২ অক্টোবর নাগরিকদের নিবন্ধন চলবে। ঈদুল আজহা ও পূজার ছুটি এর আওতায় থাকবে না।

হালনাগাদে যোগ হওয়া নতুন ভোটাররাও একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। এ লক্ষ্যে আগামী বছর ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি।

বর্তমানে ১০ কোটি ১৮ লাখের বেশি নাগরিক ভোটার তালিকাভুক্ত। ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবরের পর শুরু হবে নির্বাচনের সময় গণনা।

Sharing is caring!

Loading...
Open