আলোচনায় এগিয়ে রনজিত,বঞ্চিত রতন…।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:: আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে মতাসীন দল আওয়ামী লীগ। আগামী নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ শুরু করছে। মতা দেখিয়ে যারা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে সম্প্রতি তাদেরকে মনোনয়নের তালিকা থেকে বাতিল করেছেন।

যাদের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তারা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন না বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতনও মনোনয়ন বঞ্চিত তালিকায় রয়েছেন।

মতাসীন দলের এই এমপির মনোনয়ন বঞ্চিত খবর পেয়ে তাহিরপুর, ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ উপজেলার ত্যাগী নেতা কর্মীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এখন থেকেই এলাকায় নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এমনকি দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধতা হয়ে আগামী নির্বাচনের যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যাক্তিকেই প্রার্থী হিসেবে বাছাই করতে একের পর এক প্রস্তাব করছেন। এই তিন উপজেলার মানুষ দুর্নীতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য দলের ত্যাগী এবং ১/১১ নির্যাতিত নেতাকে আগামী দিনের কান্ডারী হিসেবে গড়ে তুলতে চান।

এখন এলাকায় আলোচনার মধ্যে রয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এডভোকেট রনজিত, সাবেক জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করীম শামীম, সাবেক ধর্মপাশা উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল ও আখতারুজ্জামন সেলিম। এর মধ্যে এগিয়ে রয়েছেন তাহিরপুরের কৃতি সন্তান সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট রনজিত সরকার।

সুনামগঞ্জ-১ আসনের জনগণ মনে করেন, যারা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয় না, সব সময় জনগণের পাশে পাওয়া যাবে তাদেরকেই এই আসনের কান্ডারী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। না প্রকাশে অনিচ্ছুক যুবলীগের এক নেতা জানান, এবছরে হাওর পানিতে তলিয়ে গেলেও এমপি সাহেবের কোনো দেখা মেলেনি। উনি রাজমহল তৈরি করে রাজমহলেই বাস করেন। জনগণের পাশে কখনো দাঁড়াতে দেখা যায়নি। এবছরে হাওরের তিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে সমসময় কৃষকদের দেখবাল করেছেন এডভোকেট রনজিত সরকার। হাওর তলিয়ে যাওয়ার সময় তিনি প্রতিটা মুহুর্ত কৃষকদের খোঁজখবর নিয়েছেন।

এনমকি কৃষকদের নিয়ে কৃষক সমাবেশ করেও কৃষকদেও জন্য নানা দাবী তুলে ধরেন তিনি। এমন নেতাকেই আগামী দিনের কান্ডারী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই আমরা। সাধারণ ভোটারদের সাথেও কথা হলে তারা রনজিত সরকারকে এই আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায় বলে নিজস্ব মত প্রকাশ করেন। অন্যান্যদের চেয়ে রনজিত সরকার নামই জনতার মুখে ফুঠে উঠছে বেশি।

Sharing is caring!

Loading...
Open