কানাইঘাটে যৌনপাগল বদরুল প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ দাবি

সুরমা টাইমস ডেস্ক :: সিলেটের কানাইঘাটে এক সৌদী প্রবাসীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, যৌনপাগলামী এবং হামলা-মামলায় জনহয়রানীর গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানানো হয়েছে। আবেদনের অনুলিপি র্যাব ৯-এর অধিনায়ক, সিলেটের পুলিশ সুপার ,কানাইঘাট উপজেলা চেয়ারম্যানসহ দায়িত্বশীল বিভন্নি মহলে প্রেরণ করা হয়েছে।
অভিযোগে প্রকাশ, সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ঝিঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের গোয়ালজুর গ্রামের মৃত আজিজুর রহমান ওরফে ছানাউলাহর পুত্র সৌদী প্রবাসী বদরুল ইসলাম বিয়ে ও যৌন পাগল প্রকৃতির লোক।
প্রথম স্ত্রীর অজ্ঞাতে একাধিক বিয়ে করায় জেলও খেটেছেন তিনি। তার এ পাগলামীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় টাকা ও জনবলের সাহায্যে প্রথম স্ত্রী ও এলাকার লোকজনকে মামলা-হামলা দিয়ে নানাভাবে হয়রানী করে চলেছেন তিনি। যতবারাই দেশে আসেন দু’চারটি মামলা দিয়ে জন-হয়রানী করে থাকেন।
গত ২০১৪ সালের আগে দেশে ফিরে প্রথম স্ত্রীর অগোচরে হবিগঞ্জে শায়েস্তাগঞ্জের এক মেয়েকে বিয়ে করেন বদরুল। এর প্রতিবাদ করায প্রথম স্ত্রীর স্বজনদের শারিরীক ভাবে নির্যাতনের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি মিথ্যে মামলা দিয়ে তাদের হয়রানী করেন। অবশেষে যৌনপাগল বদরুলের এ বিয়ে ঠিকেনি। অতি সম্প্রতি বদরুল টাকার ও লাঠিয়াল বাহিনীর বলে তৃতীয আরেকটি মেয়েকে জোর করে বিয়ে করেন। এ ঘটনায় প্রথম স্ত্রী তার বিরুদ্ধে মামলা দিতে চাইলে অজ্ঞাত কারনে মামলা নেন নি সংশ্লিষ্টরা। একাধিক বিয়ে এছাড়াও এলাকার স্কুল-কলেজ মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী মেয়েদের রাস্তাঘাটে নানাভাবে যৌনপীড়ন ও যৌনহয়রানী করতে থাকেন প্রবাসী বদরুল।
ফলে বদরুলের ভয়ে এলাকার অনেক ছাত্রী স্কুল-কলেজ যাওয়া বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে। বিয়ে ও যৌনপাগলামী ছাড়াও প্রবাসী বদরুলের বিরুদ্ধে ভূমি দস্যুতারও বিস্তার অভিযোগ রয়েছে। তাই এলাকাবাসী যৌনপাগল মামলাবাজ ও ভূমিদস্যু বদরুলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্থানীয় প্রশাসনসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open