সাংবাদিক জাওয়াদের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রবাসী সিলেটী ও বৃহওর সিলেটবাসী….।

নিউজ ডেস্ক : গাজী টিভির ক্রিড়া প্রতিবেদক জাওয়াদ নির্জরের অশালীন সিলেট বিদ্বেষী মন্তব্যে ক্ষুব্দ লন্ডন প্রবাসীনহ সিলেটের সাধারণ মানুষ। নিয়ে লন্ডন প্রবাসীসহ সকল সিলেটের সকল শ্রেণীর মানুষ ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।অভিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলেছন। সর্বমহলে নিন্দা,প্রতিবাদের ঝড় বইছে।টিভি চ্যানেল গাজী টিভি থেকে বহিস্কারের দাবি করেছেন। এই জাওয়াদ নির্জর এর আগে এমন বেফাঁস মন্তব্য করে,সংশ্লিষ্টদের কাছে ক্ষমা চেয়ে রক্ষা পান।

jaজানাযায়,লন্ডনে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট সিরিজের রিপোর্ট কাভার করতে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাথে লন্ডন আসেন গাজী টিভির এই রিপোর্টার।গত ৪মে রোববার তার ফেইসবুকে লন্ডনে বসবাসরত প্রবাসী সিলেটীদের নিয়ে অশালীন, সিলেট বিদ্বেষী মন্তব্য করেন।সাথে সাথে তার পোষ্টটি ভাইরাল হয়ে যায়।ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া দেখাদেয় সবার মাঝে।

গাজী টিভির ক্রিকেট প্রতিবেদক জাওয়দ নির্ঝর সম্প্রতি তাঁর নিজস্ব ফেসবুকের টাইমলাইনে লন্ডনের সিলেটবাসীদের নিয়ে কুরুচীপূর্ণ স্ট্যাটস দেয়ায় লন্ডনস্থ সিলেটবাসীদের মধ্যে তীব্র বিক্ষোভ বিরাজ করছে। তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘লন্ডনে যতটা না… তারচেয়েও বেশি খারাপ এখানকার সিলেটীরা। এরা না হইতে পারছে বাঙ্গালী….না হইছে ব্রিটিশ…হইছে …….। তাঁর এই স্ট্যাটাসের পর লন্ডনস্থ সিলেটবাসীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেছেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিবাদ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ওঠেছে।

লন্ডনে বিভিন্ন মিডিয়ায় কাজ করেন, এমন অনেকেই জাওয়াদ নির্ঝরের আপত্তিজনক ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে গাজী টিভি’র কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছেন। গাজী টিভি কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের বিবৃতি দেবার কথা জানিয়েছেন। লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের দায়িত্বশীল কয়েক জনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা জানান, জাওয়াদ নির্ঝর প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিক নন। সাংবাদিকতার ন্যূনতম ধারনা থাকলে কখনোই এমন মন্তব্য করতে পারেন না। এ ব্যাপারে তাঁর সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তীতে আরো পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে তাঁরা জানান।

জাওয়াদের স্ট্যাটাসের পর তিনি আরেকটি স্ট্যাটাসে লিখেছেন, তাঁর মোবাইল ফোন হারিয়ে গিয়েছিলো। পরে তিনি মোবাইল ফোনটি ফেরৎ পেয়েছেন। হারিয়ে যাবার সময় কেউ হয়তো শত্রুতাবশত: তাঁর ফেসবুক থেকে এই স্ট্যাটাস দিয়ে থাকতে পারেন। তবে, তিনি কোথায় তাঁর মোবাইল হারিয়েছিলেন, কে তার মোবাইল ফেরৎ দিলো এ ব্যাপারে কোন কিছু জানাতে পারেন নি।

বিষয়টি নিয়ে লন্ডনের সিলেটীবাসীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open