অবিচল খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

ষ্টাফ রিপোর্টারঃরাশেদ আহমেদ
শহীদ জিয়ার ৩৬তম শাহাদত বার্ষিকী। বহমান সময় দেখতে দেখতে ছত্রিশটি বছর পার করে দিল। কিন্তু তার স্মৃতি তার কীর্তি এখনও অম্লান। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, স্বাধীন দেশের সকল নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্রের বৈষম্যহীন মর্যাদাপূর্ণ আচরণ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে জবাবদিহীতার দায়িত্বভার বহনে সখ্যম রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের গঠন ও বিকাশ, নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোটাধিকারের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার প্রতিফলন, বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতার মৌলিক চেতনায় পুষ্ট রাজনৈতিক দল ও সংস্কৃতির বিকাশ- একটি কার্য্যকর রাষ্ট্র গঠনের সকল উপাদান মাত্র চার বছরের কম সময়ের মধ্যে বিনষ্ট করে স্বাধীনতা পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার একটি যুদ্ধ বিজয়ী সম্ভাবনাময় দেশকে দিকভ্রান্ত, হতাশায় নিমজ্জিত, স্বশাসনে অখ্যম ব্যর্থ রাষ্ট্রের তকমা পরিয়ে দিয়েছিল।
শহীদ জিয়ার কীর্তি কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নের যাত্রা শুরুর মধ্যে, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায়, দূর্ভিখ্যের পুনরাবৃত্তি রোধে, আইন শৃংখলা প্রতিষ্ঠায়, বেসামরিক প্রশাসনের নৈরাজ্য দূরীকরণে, সেনাবাহিনীর শৃংখলা, ভাবমূর্তি ও পেশাদারীত্ব পুনরুদ্বারে, মুসলিম দেশসমূহ ও বিশ্ববাসীর স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে, বৃহৎ প্রতিবেশীর সাথে সারভৌমত্ব অখ্খুন্ন রেখে সমমর্যাদার ভিত্তিতে ন্যায্য পাওনা আদায় ও সম্পর্ক উন্নয়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
তঁার অবিস্মরণীয় কীর্তি হল এদেশের মানুষের মধ্যে- আমরা পারি, আমরা সখ্যম, আমাদের স্বাধীনতা অলংঘনীয়, আমাদের স্বার্বভৌমত্ব অমোচনীয়- এই জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগ্রত করে হতাশ জাতিকে আশা ও আত্মবিশ্বাসের আলোয় উদ্ভাসিত করে দেশ গঠনের দীর্ঘ পথে সাফল্যের সাথে ধাবিত করা। ৩৬তম শাহাদত বার্ষিকীতে সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপনকারী অবিচল দেশপ্রেমিক, স্বাধীনতা যুদ্ধের ঊষা লগ্নের দিশা প্রদানকারী, প্রশ্নাতীত সততা ও স্বজনপ্রীতিহীনতায় সমৃদ্ধ, অতুলনীয় শৌর্য ও বীরত্বের অধিকারী এই মহান বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদীকে স্মরণ করি গভীর শ্রদ্ধার সাথে। তোমাকে হারানোর ব্যথা এখনও কমেনি, কমবেনা কখনও। এদেশ বিশ্ব মানচিত্রে যতদিন আপন অবস্খান অটুট রাখবে, ততদিন তোমার কীর্তি ও স্মৃতি জাগরুক থাকবে।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা।

Sharing is caring!

Loading...
Open