কারাগারে মহিলা কয়েদি গর্ভবতী

মুন্সীগঞ্জ কারাগারে ময়নার (৩৫)স্বামী সিরাজ বর্তমান জেলহাজতের ঠিকানায় হাসপাতাল এনে এ্যাবোশন করা হয়। কারাগার মহিলা পুলিশ জানান ময়না ৪/৫মাসের গর্ভবতী ১মাস হয় আমাদের কারাগারে চুরি মামলাতে আটক আছেন। নানাজনের নানান কথা, ময়না কে একপলক দেখার জন্য প্রায় ৫ ঘন্টা অপেক্ষার পর মূমূর্ষ অবস্থায় দেখা মিলে হাসপাতাল ট্রলিতে। কয়েদী ময়না হাসপাতালের ১৩ নম্বর বেডে রয়েছেন কারারক্ষী ও পুলিশ পাহারায়।
হাসপাতাল কারা পুলিশ ও থানা পুলিশের কড়া পাহাড়ায় ময়নার গর্ভপাত ঘটান বলেই অনেকের ধারণা। হাসপাতালের রেজিঃ খাতায় ময়নার তেমন কোন পরিচয় নাই, যা আছে তাহা মাত্র কারাগারের ঠিকানায়। মহিলা কারা রক্ষীসহ জেলা পুলিশ সদস্য ও ছিলেন হাসপাতালে। এ বিষয় কারা পুলিশ (মহিলা) সংবাদ কর্মীদের সাথে রাখাপ আচরণ করেন। আসামীর দেশের বাড়ী কোথায় কি মামলা তা তেমন কিছুই কারা কর্তৃপক্ষ বলে নাই। জৈনিক পুলিশ নাম না বলার শর্তে বলেন একমাস হয় এই মহিলাকে কারাগারে আনা হয়, তাহার বিরুদ্বে চুরির মামলা রয়েছে বলে জানান।
এমন সময় হাসপাতাল আসা আবুল হোসেন রোগীর ভিজিটর বলেন কারো কথার সাথে কথার মিল নাই, সকাল থেকে মহিলা আসামী বড় কিছু না হলে কারাগার গেট থেকে বাহিরে আনবে? কয়েক মাস আগেও আরো এক মেয়ে আসামীকে ধর্ষণ করে এক কয়েদী।
মুন্সীগঞ্জ জেলার কে ফোন করলে তিনি বলেন আমরা মহিলা আসামীদের রুটিন মাফিক গায়ীনি চকাপ করে থাকি। সেই হিসেবে ময়নাকেও চেকাপ করার জন্য হাসপাতাল পাঠাই। ময়নার তেমন কিছুই হয় নাই। ময়নাকে এই নিয়ে তিনবার রুটিন চেকাপ করানো হয়েছে। প্রয়োজনে আমার অফিসে এসে যে কোন তথ্য জেনে নিতে পারেন।
কারাগার ফার্মাসিস্ট নাজনিনকে ফোন করলে তিনি বলেন মহিলা কয়েদী দুই বছরের সাজা নিয়ে জেলখানাতে গর্ভ অবস্থায় আসেন। আমি বিষয়টি গত দের দুই মাস আগেই তাহার বিষয় অবগত আছি। মহিলা কয়েদীর যার চিকিৎসা মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালেই করছেন। পূবে যে ধর্ষনের কথা হয় তাহা সত্য না, ঘটনা যদি হয়ে থাকে সাথে সাথে বললেই কারা কতৃপক্ষ ব্যাবস্থা নিতেন বলে প্রতিনিধিকে জানান নাজনিন।

Open