আকাশ ছুঁতে হলে লেখা-পড়া করতে হবে: অর্থমন্ত্রী


অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, বিদেশমুখীতার কারণে সিলেট অঞ্চল শিক্ষা দীক্ষায় পিছিয়ে পড়েছে। একসময় সারাদেশে শিক্ষাক্ষেত্রে সিলেটের যে সুনাম ও ঐতিহ্য ছিল, আজ তা হারিয়ে যেতে বসেছে।
আবার সেই অবস্থান ফিরে পেতে তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের কে লেখা পড়ায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের জন্য লেখা-পড়া খুব জরুরী।
মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর মিরাবাজার কিশোরী মোহন সরকারী প্রাথমিক (বালক) বিদ্যালয়ে অর্থমন্ত্রীর মার নামে স্থাপিত ‘সৈয়দা শাহারবানু চৌধুরী’ ভবন এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি রুবি ফাতেমা ইসলাম।
শিক্ষক রিনি চক্রবর্তী ও শ্রাবন ধর চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রীর বড়বোন, জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ শাহলা খাতুন, সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীন, অর্থমন্ত্রীর ভাই, জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ডঃ একেএম, মোমেন, প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক তাহমিনা বেগম, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী এএসএম মহসীন, নর্থইস্ট ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলার ডঃ আব্দুল হাই শিবলী প্রমুখ।
অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যের শুরুতে স্কুলটি জাতীয়করণের আগের সময়ের স্মৃতিচারণ করে বলেন, এ স্কুলের যাত্রাপথ কখনো মসৃন ছিলনা। টাকা পয়সার অভাবে বার বার এর কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে। বছরের পর বছর শিক্ষকরা বেতন পান নি। টাকা পয়সা ছাড়াও তারা বাচ্চাদের লেখাপড়া করিয়েছেন। পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে জাতীয়করণ করা হলে এ স্কুলটি দুর্দশামুক্ত হয়।
অর্থমন্ত্রী আকাশ ছোঁয়া সাফল্য অর্জনের জন্য লেখাপড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, লেখাপড়া ছাড়া প্রকৃত মানুষ হওয়া যায়না, আকাশ ও ছোঁয়া যায়না। তাই তোমাদের মনোযোগ সহকারে লেখা-পড়া করতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে সিলেটের হারানো গৌরব ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আহমেদ আল কবির, জেলা ক্রীড়াসংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন সেলিম, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আজিজ আহমেদ সেলিম, মকসুদ বক্স, অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, মোহাম্মদ আলী দুলাল, সাজোয়ান আহমেদ, আলম খান মুক্তি, এডভোকেট আফছর আহমদ, মকসুদ আহমদ, কিশোর ভট্টাচার্য জনি, দেলোয়ার হোসেন রাজা, জমসেদ সিরাজ ও জাভেদ আহমদ সিরাজ প্রমুখ।

Sharing is caring!

Loading...
Open