গোলাগঞ্জের কিশোরী সুমাইয়ার বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে এলাকায় তোলপাড়

4-15গোলাপগঞ্জ থেকে সংবাদদাতা : গোলাপগঞ্জে শনিবার বা রবিবার রাতে এক কিশোরীকে পারিবারিক ভাবে বিয়ে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে। সূত্রটির মতে, পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিভ্রান্ত করে এ ঘটনা ঘটানো হতে পারে। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

ঐ কিশোরির নাম সুমাইয়া বেগম। তার বয়স ঐ মাত্র সাড়ে ১৩ বা ১৪ বছর বলে জানিয়েছে ঐ সূত্র। সে উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ কানিশাইল ভাড়েরা গ্রামের ব্যাবসায়ী নূরুল ইসলামের কন্যা। সূত্রটি জানিয়েছে, বর নূরুল ইসলামের আত্মীয় একই উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের করেরগাঁও গ্রামের গৌস উদ্দীনের পূত্র আব্দুল আহাদ।

সূত্রটির মতে, সুমাইয়াকে গত বছর স্কুল ছাড়ানো হয়েছে। এখন নূরুল ইসলামের এক আত্মীয়ের প্ররোচনায় এই চল কুত কুত খেলার বয়সে তার ঘাড়ে জোরপূর্বক সংসারের বোঝা চাপিয়ে দেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সুমাইয়ার পিতা নূরুল ইসলাম বলেন- পরে মাতিমু। এরপর তিনি লাইনটি কেটেদেন। পরে অনেক বার কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেন নি।

বর আব্দুল আহাদের ভাই, এ বিয়ের মূল উদ্যোক্তা মৌলভী আব্দুস সামাদের নম্বরে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বিয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল কিন্তু মেয়ের বয়স কম এ কারনে আমরা সরে এসেছি। এ ধরনের কোন ইচ্ছে আমাদের নেই।

এ ব্যাপারে গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, নূরুল ইসলামের সাথে আমার কথা হয়েছে। তার বয়স হলে পরে বিয়ে হবে।

এদিকে সূত্রটি জানিয়েছে, প্রশাসন কে বিভ্রান্ত করে কৌশলে শনিবার বা রোববার রাতে সুমাইয়াকে কিশোরী সুমাইয়াকে বিয়ে দেয়া হতে পারে।

Sharing is caring!

Loading...
Open