গোয়াইনঘাটে স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টা, লম্পটকে গণধোলাই

resize62641গোয়াইনঘাট সংবাদদাতা: সিলেটের গোয়াইনঘাটের ফতেপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণীর এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টাকালে গণধোলাই খেয়েছে এক যুবক। ইসকন্দর আলী নামের ওই যুবক উপজেলার ফতেপুর ৫ম খন্ড (খলাপাড়া) গ্রামের মৃত মজর আলীর ছেলে। শনিবার সকাল ৯টায় ফতেপুর বাজারে এ ঘঠনা ঘটে।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও ওই ছাত্রীর বাবা জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার সকাল ৯টায় ওই ছাত্রী ফতেপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসার পথে ফতেপুর বাজারে পৌঁছার পর বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য বাজারের ইসকন্দর আলীর দোকানের বারান্দায় মেয়েটি আশ্রয় নেয়।

এ সময় বখাটে ইসকন্দর আলী মেয়েটিকে দোকানের ভিতরে বসতে বলে। মেয়েটি দোকানের ভিতরে প্রবেশ করা মাত্র লম্পট ইসকন্দর আলী মেয়েটির শরীরের বিভিন্ন অংশে কামড়াতে থাকে এবং পরনের কাপড় খোলার চেষ্টা চালায়।

বখাটে ইসকন্দরের কামড়ে মেয়েটির হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় দাগ পড়ে যায়। এ সময় মেয়েটি চিৎকার করলে বাজারের ব্যবসায়ীরা জড়ো হয়ে লম্পটের হাত থেকে ছাত্রীটিকে রক্ষা করেন।

ওই সময় ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে লম্পট ইসকন্দরকে গণধোলাই দেন। গণধোলাইর এক ফাঁকে ইসকন্দর পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বাজারে আসেন এবং তাৎক্ষনিক বৈঠক করে লম্পট ইসকন্দরের পরিচালনাধীন বাজারের অবস্থিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি তালাবদ্ধ করে দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য ইসা মিয়া, সাবেক সদস্য মানিক মিয়া, মিনহাজ উদ্দিন, মছব্বির মিয়া প্রমূখ।

এ ব্যাপারে ফতেপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন নির্যাতিত মেয়েটি আমার প্রতিষ্টানের ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী। মেয়েটি আজ বিদ্যালয়ে আসেনি তবে বিদ্যালয়ে আসার পথে স্থানীয় ফতেপুর বাজারে লম্পট ইসকন্দর কর্তৃক নির্যাতিত হয়ার খবর পেয়েছি। মেয়ের বাবা সাংবাদিকদের বলেন মেয়েকে নিয়ে আমরা গোয়াইনঘাট হাসপাতালে এসেছি। পরীক্ষার পর আইনী পদক্ষেপ নেব।

Sharing is caring!

Loading...
Open