একনেকে ২ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন

Aknekনিউজ ডেস্ক : জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ২ হাজার ৪৫৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকার মোট ৫টি প্রকল্প
অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ২ হাজার ৩৫৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৯৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রকল্পগুলো সম্পর্কে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান।
তিনি বলেন, নর্থ বেঙ্গল চিনি কলে কো-অপারেশন পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সুগার রিফাইনারি স্থাপন প্রকল্পের কাজ হয়েছে মাত্র ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ। কাজের অগ্রগতি না হলেও দুই বছর পর আবার প্রকল্পটির মূল ব্যয় ৭৩ কোটি ৪৭ লাখ
টাকা থেকে ২৫০ কোটি ৭১ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় ৩২৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা করা হয়েছে। সেইসঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় দুই বছর বাড়ানো হয়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আগে কিছু কিছু যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করায় কাজের অগ্রগতি কম হয়েছে। এবার আমরা আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সব কাজ একসঙ্গে করবো। তাই আশা করছি ২০১৮ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
তিনি আরো বলেন, চলমান প্রকল্পের সঙ্গে ডিস্টিলারি, বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট এবং বায়োকম্পোস্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের কারণে প্রকল্পের কলেবর বৃদ্ধি, প্রকল্পের আওতায় নতুন যন্ত্রপাতি ও পূর্ত কাজ সংযোজন, পূর্ত কাজে গণপূর্ত অধিদফতরের ২০১৪ সালের রেট শিডিউল অনুসরণ, যন্ত্রপাতি সংগ্রহ ও স্থাপন ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের মেয়াদকাল বৃদ্ধি করা হয়েছে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিএসএফআইসি কর্তৃক প্রণীত নর্থ বেঙ্গল চিনি কলে কো-জেনারেশন পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সুগার রিফাইনারি স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি একনেক সভায় মোট ৭৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ফেব্রুয়ারি ২০১৪ থেকে ডিসেম্বর ২০১৬ মেয়াদে অনুমোদিত হয়। প্রকল্পটির আর্থিক অগ্রগতি ২০১৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা; যা অনুমোদিত প্রাক্কলিত ব্যয়ের ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
একনেক সভায় অনুমোদিত অন্যান্য প্রকল্পগুলো হচ্ছে-
ওয়েস্ট জোন এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও আপগ্রেডেশন প্রকল্প : এটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২৭৮ কোটি ২০ লাখ টাকা।
থ্রি-জি প্রযুক্তি চালুকরণ ও ২ দশমিক ৫জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ (ফেজ-২) প্রকল্প : এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
বানিয়াচং-আজমিরিগঞ্জ সড়ক নির্মাণ প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত) : এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৬ কোটি টাকা।
টেকনাফ-রামু-গ্যারিসন-মরিচ্যা-পালং সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত) : প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

Sharing is caring!

Loading...
Open