নড়াইলে দুই সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত, বিচার দাবি

1নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলে চিকিৎসকদের হাতে দুই সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় নড়াইল প্রেসক্লাব, লোহাগড়া রিপোর্টার্স ইউনিটি, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) জেলা শাখাসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু বিচার দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নিন্দা জানানো হয়।
নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল কবীর টুকু, সাধারণ সম্পাদক মির্জা নজরুল ইসলাম, লোহাগড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি বিশ্বজিত বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক এসএম আলমগীর কবির, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) নড়াইল জেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ খায়রুল আলমসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।  সোমবার দুপুরে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আহতদের ছবি তোলার সময় লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  পেশাগত দায়িত্বপালনে তাদের বাঁধা দেয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক লিপিকা রানী ও ওয়াসি উদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাঁধা দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিচয় জানার পরও ওই দুই চিকিৎসক সাংবাদিকদের সাথে আশালীন আচরণ করেন। এ সময় চিকিৎসকের সহকারী প্রশান্ত কুমারও আক্রমণাক্ত ভাষায় তাদের দিকে তেড়ে আসেন। দুই চিকিৎসকসহ সহকারীর এমন আচরণে এক পর্যায়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যেতে হয় দুই সাংবাদিককে। বিষয়টি সহকর্মীদের (সাংবাদিক) জানানো হলে সবাই ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
লাঞ্ছিত সাংবাদিকরা আরো জানান, ছবি তুলতে বাঁধা দিয়ে চিকিৎসক লিপিকা ও ওয়াসি উদ্দীন উচ্চস্বরে চিৎকার করেন। এ সময় তারা বলেন, ছবি তুলতে অনুমতি লাগে। কে আপনাদের ছবি তোলার অনুমতি দিয়েছে? ছবি তোলার কোনো প্রয়োজন নেই। আপনারা বেরিয়ে যান।
এদিকে, দুই চিকিৎসক ও তাদের সহকারী কর্তৃক সাংবাদিকরা লাঞ্ছিত হওয়ার ভিডিও ফুটেজ (অন্য মাধ্যমে ধারণকৃত) দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নড়াইল ও লোহাগড়ায় কর্মরত সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। নির্বাচনী সহিংসতায় আহত লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আজগর মোল্যাসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই আকস্মিকভাবে সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাঁধা দেয়াসহ আক্রমণাক্ত কথা বলেছেন ওই দুই চিকিৎসকসহ তাদের এক সহকারী।
অভিযোগ রয়েছে, ডাঃ লিপিকা ও ওয়াসি উদ্দীন স্থানীয় চিকিৎসক হওয়ায় কাউকে সমীহ করেন না। রোগী, অভিভাবকসহ সব পেশার মানুষের সাথে সব সময় দাম্ভিকতা দেখান।

Sharing is caring!

Loading...
Open