শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা: দুই তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ

zzনিউজ ডেস্ক : ছিয়াত্তর কেজি বোমা পেতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় দুইজন তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ করেছে ট্রাইব্যুনাল। তারা হলেন, মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (অব.) মোকলেছুর রহমান এবং দ্বিতীয় তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির আরেক সহকারী পুলিশ সুপার (অব.) নজরুল ইসলাম।
রবিবার ঢাকার ২ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মমতাজ বেগম প্রথমে এদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন।
সাক্ষীদের মধ্যে মোকলেছুর রহমানে জেরা এদিন শেষ হলেও নজরুল ইসলামের জেরা শেষ না হওয়ায় আগামী ১২ জুন পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন বিচারক।
২০০০ সালের ২২ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশ করার কথা ছিল। ওই সমাবেশের প্যান্ডেল তৈরির সময়ে ২০ জুলাই ওই কলেজের পাশ থেকে ৭৬ কেজি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করে পুলিশ।
ওই ঘটনার মামলায় সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সী আতিকুর রহমান ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র  দাখিল করে। অন্য আসামিরা হলেন- মো. মহিবুল্লাহ, মুন্সি ইব্রাহিম, মো. মাহমুদ আজহার, মো. রাশেদ ড্রাইভার, মো. শাহ নেওয়াজ, মো. ইউসুফ, মো. লোকমান, শেখ মো. এনামুল ও মো. মিজানুর রহমান।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মুফতি আব্দুল হান্নান আফগানিস্তানে মুজাহিদ ট্রেনিংপ্রাপ্ত এবং সেখানে তিনি তালেবানদের পক্ষে যুদ্ধ করেন। তিনি দেশে ফিরে হরকাতুল জেহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশী নামক সংগঠনের সদস্য হন। তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য গোপালগঞ্জে বিসিক এলাকায় অবৈধভাবে সোনার বাংলা কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ নামে একটি সাবানের কারখানা স্থাপন করে। সে কারখানায় আসামিদের নিয়োগ প্রদান করে এবং সেখানে তাদের থাকার ব্যবস্থা করে। সাবান তৈরির কাঁচামাল আনার আড়ালে আসামি মুফতি হান্নান ও তার সহযোগী আসামিরা বোমা তৈরির উপকরণ কারখানায় এনে রাখত। প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় আসার কথা শুনে মুফতি হান্নানসহ আসামিরা সাবান কারখানায় শক্তিশালী বোমা তৈরি করেন। তৈরির পর ২০০০ সালের ১৯ জুলাই সাবান কারখানার গাড়িতে করে কোটালীপাড়া এলাকায় নিয়ে রাতের আঁধারে পুতে রাখেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open