হাসপাতাল মর্গে এসপি বাবুল আক্তারের আর্তনাদ

zzzনিউজ ডেস্ক : স্ত্রী মাহমুদা আক্তারের মৃতদেহ দেখে পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চারপাশ। রবিবার সকালে স্ত্রী মাহমুদা আক্তার দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হওয়ার সময় রাজধানী ঢাকায় ছিলেন আলোচিত এই পুলিশ কর্মকর্তা।
ঢাকা থেকে ফ্লাইট যোগে চট্টগ্রাম এসে বেলা পৌনে ১১টায় সরাসরি মর্গে রাখা স্ত্রী মাহমুদার লাশের কাছে চলে যান বাবুল আক্তার। লাশ দেখে বিকট শব্দে আর্তনাদ করতে থাকেন তিনি। হাত-পা ছুড়ে মর্গের দেয়ালে নিজে আঘাত করছিলেন। পা দিয়ে কয়েকবার আঘাত করেন তাকে বহন করা মাইক্রোবাসটিতে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ইকবাল বাহার এ সময় জড়িয়ে ধরে রেখেছিলেন বাবুল আক্তারকে। আর বলছিলেন, ‘বাবুল তুমি ধৈর্য ধর, বাবুল তুমি শান্ত হও।’
এক দশকেরও বেশি পেশাগত জীবনে অনেকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এই পুলিশ কর্মকর্তা নিজের স্ত্রীর বেঘোরে প্রাণ হারানোকে মেনে নিতে পারছিলেন না। হাউ-মাউ করে কান্নার পাশাপাশি চিৎকার চেচামেচি করছিলেন। সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন।
চট্টগ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আলোচিত পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু (৩৫) নিহত হন। রবিবার সকাল ৭টার দিকে মহানগরীর জিইসি মোড় সংলগ্ন বাসার কাছেই মোটর সাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত হন তিনি।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার ইকবাল বাহার জানান, সকালে ছেলেসন্তান আক্তার মাহমুদ মাহিদকে নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের উদ্দেশে রওনা হন মাহমুদা আক্তার ওরফে মিতু। বাসা থেকে ৫০ গজ দূরে রাস্তায় মোটরসাইকেলে করে তিন দুর্বৃত্ত প্রথমে মিতুকে ধাক্কা দেয়। পরে তাকে ছুরিকাঘাত করে। এরপর মাথার পেছনে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়।

Sharing is caring!

Loading...
Open