মুস্তাফিজের সঙ্গে দেখা করার সময়সীমা নির্ধারণ

mustafiz_ক্রীড়া ডেস্ক : মুস্তাফিজের সঙ্গে এখন চাইলেই দেখা করা যাচ্ছে না। সাতক্ষীরায় নিজ বাড়িতে তার সাথে দেখার করা বা ছবি তোলার জন্য পরিবার ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। তার সাথে দেখা করার সময়সীমা হচ্ছে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা। আবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) প্রায় দুই মাস টানা পরিশ্রম করেছেন। একের পর এক ম্যাচ খেলে বড্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। এরপর আবার কাউন্ডি খেলতে যাওয়ার কথা। তাই এই ফাঁকে কয়দিন বিশ্রাম নিতে ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে এখন সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়ায় গ্রামে নিজ বাড়িতে রয়েছেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান।
কিন্তু বাড়িতে মোটেও বিশ্রাম পাচ্ছেন না তিনি। সাংবাদিক, ভক্ত, আত্মীয় স্বজনদের ভিড়ে ঠিকমত ঘুমাতেও পারছেন না মুস্তাফিজ। তাকে ঘুম থেকে উঠতে হচ্ছে খুব ভোরে। আবার ঘুমাতে যেতে হচ্ছে রাত দুইটার দিকে।
তাই মুস্তাফিজের সঙ্গে দেখা করা, কথা বলা কিংবা ছবি তোলার ওপর কিছুটা কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বাড়িতে নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক জানান, মুস্তাফিজ যাতে বাড়িতে নির্বিঘ্নে বিশ্রাম নিতে পারেন, সে জন্য তাঁর সঙ্গে দেখা করার ব্যাপারে কিছুটা কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য তাঁদের বাড়িতে সব সময় দুজন গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লস্কর জায়াদুল ইসলাম জানান, মুস্তাফিজের বাড়ির আশপাশে পুলিশ সব সময় টহল দিচ্ছে। বিশেষ করে রাতে পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে।
মুস্তাফিজের ভাই মোখলেছুর রহমান জানান, আইপিএল জয় করে প্রায় দুই মাস পরে মুস্তাফিজ বাড়িতে আসে কয়েক দিন আগে। আগামী প্রথম রোজা পর্যন্ত বাড়িতে থেকে বিশ্রাম নেওয়ার ইচ্ছা তাঁর। গত বুধ ও বৃহস্পতিবার—এ দুই দিন ভক্ত, বন্ধু ও আত্মীয় স্বজনদের সময় দেওয়ার কারণে বিশ্রাম নিতে পারেননি তিনি। রাত দুইটার দিকে ঘুমাতে হয়েছে তাঁকে। আবার ভক্তরা ভোর হতে না-হতেই ভিড় করতে থাকেন বাড়িতে। বাধ্য হয়ে ঘুম থেকে তাঁর উঠতে হয়েছে খুব সকালে। তাই স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবারের পক্ষ থেকে মুস্তাফিজের সঙ্গে দেখা করার ব্যাপারে কিছুটা কড়াকাড়ি আরোপ করা হয়েছে।
মোখলেছুর রহমান আরও জানান, তাঁদের গ্রামে বিদ্যুতের কিছুটা উন্নতি হয়েছে। ইতোমধ্যে কালীগঞ্জ-আশাশুনি সড়ক থেকে তাঁদের বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা মেরামত করা হয়েছে। মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য একটি মুঠোফোন প্রতিষ্ঠান এসে জরিপও করে গেছে।
গত বৃহস্পতিবার শুভেচ্ছা জানাতে ও মিষ্টিমুখ করাতে মুস্তাফিজের বাড়িতে যান সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা। ওই সময় জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন মুস্তাফিজের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open