নামাজে মনযোগ বৃদ্ধির সহজ উপায়

63999ডেস্ক রিপোর্টঃ মুসলমানদের অন্যতম ইবাদত নামাজ। নামাজকে বলা হয় মুমিনের মিরাজ। এই ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহ ও তার বান্দার মধ্যে কথোপকথন হয়ে থাকে। নামাজ মানুষকে যাবতীয় পাপাচার ও অশ্লীলতা থেকে মুক্ত রাখে। নামাজের অসংখ্য ফজিলত ও তাৎপর্যের কথা কোরআন-হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। তবে ওইসব ফজিলত অর্জনের জন্য প্রয়োজন মনযোগসহ যথাযথভাবে নামাজ আদায় করা। পবিত্র কোরআনে তাদেরকেই সফল বলা হয়েছে যারা একাগ্রতার সঙ্গে নামাজ আদায় করে। আল্লাহ বলেন, ‘ৃএবং যারা তাদের নামাজগুলোর বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখে। ওরাই হলো তারা যারা হবে জান্নাতের উত্তরাধীকারী এবং সেখানেই থাকবে চিরকাল’। [সুরা মুমিন : আয়াত ৯-১১]।
আমরা নামাজ পড়ি ঠিকই কিন্তু নামাজে কী পড়ছি, রুকু-সেজদা ঠিক মতো হচ্ছে কিনাÑ সেসব সম্পর্কে খুব কমই খেয়াল রাখি। নামাজ তো কেবল উঠাবসার নাম নয়, নামাজে আত্মার সংযোগ থাকতে হয়। সেজন্য প্রয়োজন একাগ্রতা। তাই নামাজকে কেন্দ্র করে কিছু প্রস্তুতি নেয়া উচিত। এক্ষেত্রে সাধারণত তিন ধরনের প্রস্তুতি হতে পারে।

মানসিক প্রস্তুতি :
-সারাদিনের কর্মপরিকল্পনা নামাজকে কেন্দ্র করে তৈরি করুন। অর্থাৎ দিনের কাজ-কর্মের ফাঁকে ফাঁকে নামাজকে না ঢুকিয়ে আগে থেকেই প্ল্যান করে নিন যেন নামাজের সময়সূচিকে ঘিরে কাজ-কর্ম করতে পারেন।
-নামাজের সময় সূচি মেনে চলুন। ওয়াক্ত অনুযায়ী নামাজ পড়ে ফেলুন। সামান্য কারণে নামাজ পড়তে দেরি করবেন না।
-পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে জামাতের সাথে পড়ার চেষ্টা করুন। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা রুকুকারীদের সাথে রুকু দাও’। [সুরা বাকারা : আয়াত ৪৩]। এর দ্বারা জামাতে নামাজ পড়ার গুরুত্ব বুঝা যায়।
-নামাজে দাঁড়ানোর পূর্বে সকল অবসাদ, দুশ্চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন।
-নামাজে কোন কোন সুরা পড়বেন তা নামাজে দাঁড়ানোর আগেই ঠিক করে নিন।

Sharing is caring!

Loading...
Open