গোয়াইনঘাটে ৭টি কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ গোপনে ভাগ-বাটোয়ারা!

1গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকার ৭টি কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ গোপনে ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালাহ উদ্দিন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহমেদুল¬াহ সবুজ গোপনে কতিপয় ঠিকাদারের মধ্যে প্রকল্পের কাজ ভাগ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ দরপত্রে অংশ নেয়া কয়েকজন ঠিকাদারের। এক্ষেত্রে ওই দুই কর্মকর্তা ‘অবৈধ সুবিধা’ নিয়েছেন বলেও তাদের অভিযোগ। তবে এমন অস্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়- ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলতি মাসের ৩ এপ্রিল গোয়াইনঘাটে বিভিন্ন জায়গায় ৭টি কালভার্ট নির্মাণের লক্ষ্যে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার দরপত্র আহবান করা হয়। এ দরপত্রে অংশ নেন অর্ধশতাধিক ঠিকাদার। নিয়ম অনুযায়ী দরপত্রে অংশগ্রহণকারী সকল ঠিকাদারদের অবগত করে লটারির মাধ্যমে কাজ দেয়ার কথা।

দরপত্রে অংশ নেয়া ঠিকাদারদের অভিযোগ- নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালাহ উদ্দিন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহমেদুল্লাহ সবুজ গোপনে গত ২১ এপ্রিল তাদের পছন্দের ঠিকাদারদের মধ্যে কাজ ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন। দরপত্রে অংশ নেয়া মেসার্স তানহা এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী আনোয়ার হোসেন এবং মেসার্স এম ব্রাদার্স কনস্ট্রাক্টশনের স্বত্তাধিকারী ফারুক আহমদ অভিযোগ করে বলেন- ‘আমরা গত ২১ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করি। তারা আমাদেরকে দরপত্রের লটারির তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে বলে জানান। কিন্তু অবৈধ সুবিধা নিয়ে ওইদিনই তারা গোপনে তাদের পছন্দের ঠিকাদারদের মধ্যে কাজ ভাগ-বাটোয়ারা করে দেন।’

তবে গোপনে নয়, বরঞ্চ প্রকাশ্যেই দরপত্রের লটারি হয়েছে বলে মন্তব্য গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘গত ২১ এপ্রিল ২৫-২৬ জন ঠিকাদারদের উপস্থিতিতে দরপত্রের লটারি হয়।’ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে অনেক ঠিকাদারদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। যারা সেদিন আসতে পারেননি, তারাই ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open